সাকিব আল হাসানের পরিবারের বেশিরভাগ সদস্য হাসপাতালে ভর্তি আছেন। মা, শাশুড়ির সঙ্গে তিন সন্তান হাসপাতালে। অন্যদিকে সাকিব জাতীয় দলের হয়ে খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকায় রয়েছেন। রবিবার তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখনও একটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট বাকি। পরিবারের এই সংকটের সময় দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফিরবেন নাকি জাতীয় দলের হয়ে খেলা চালিয়ে যাবেন এ ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি সাকিব। তবে সোমবার সকালে ঢাকার অবস্থা পর্যালোচনা করে সাকিব সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকায় দলের সঙ্গে থাকা নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন।
দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে মুঠোফোনে হাবিবুল বাশার সুমন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সাকিব এখনও কোন সিদ্ধান্ত নেননি। ও (সাকিব) ঢাকাতে নিয়মিত খবর রাখছে। পুরোটাই নির্ভর করবে ওইদিকের (ঢাকার) পরিস্থিতির ওপর। এখন ও(সাকিব) যাবে নাকি থাকবে এই সিদ্ধান্ত হয়নি। কালকে (সোমবার) সকালে ওখানকার অবস্থা বুঝে সাকিব সিদ্ধান্ত নেবে।’
পারিবারিক এই সময়টাতে বিসিবি সাকিবের পাশেই থাকবে বলে জানালেন হাবিবুল বাশার। তিনি বলেন, ‘এমন অবস্থায় বিসিবি সব ক্রিকেটারের পাশেই থাকে। সাকিব যদি প্রয়োজন মনে করে তাহলে চলে যাবে। এখন পর্যন্ত সাকিব কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি। পুরোটাই নির্ভর করে তারা (সাকিবের মা-সন্তানরা) কতখানি রিকোভার করে কিংবা কতটা খারাপের দিকে যায় তার ওপর। সম্ভবত কালকে (সোমবার) এ ব্যাপারে বলা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত ফিরে যাওয়ার কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।’
সাকিবের পুরো পরিবারই হাসপাতালে ভর্তি। তার তিন সন্তান, মা শিরিন আক্তার এবং শাশুড়ি আছেন হাসপাতালের বিছানায়। মা ও শাশুড়ির অবস্থা কিছুটা সংকটপন্ন, তবে সন্তানরা মোটামুটি ভালোই আছেন। সাকিবের মা শিরিন আক্তার এমিনতেই হার্টের রোগী। অবস্থা কিছুটা খারাপ হওয়াতে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন সাকিবের মা। এছাড়া সাকিবের একমাত্র ছেলে আইজাহ আল হাসান ও মেঝো মেয়ে ইরাম হাসান নিউমোনিয়াতে আক্রান্ত। অন্যদিকে বড় মেয়ে আলাইনা হাসান অব্রি ঠান্ডা জ্বরে ভুগছেন। তিনজনই দাদির সঙ্গে একই হাসপাতালে ভর্তি আছেন। সাকিবের শাশুড়ির অবস্থা বেশ খারাপ। এমনিতেই ক্যান্সারে আক্রান্ত তিনি। সাকিবের শাশুড়ি ভর্তি আছেন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ)। ওখানেই তার চিকিৎসা চলছে।








