ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের (ইউল্যাব) মাঠে ঝড় তুলেছিলেন আবাহনীর মোসাদ্দেক হোসেন ও আফিফ হোসেন। এই দুই ব্যাটারের ঝড়ে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আবাহনী ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৩৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করে। শেষ ওভার পর্যন্ত টিকে থাকলেও সেই রান টপকাতে পারেনি শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব। তাদের ২৯৯ রানে আটকে রেখে ৩৪ রানের জয় পায় ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি।
ইউল্যাব মাঠে ৩৩৪ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৫২ রানের ওপেনিং জুটি গড়ে ফিরে যান রাকিন আহমেদ। কিছুক্ষণের মধ্যে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন (৪) বিদায় নেন। তৃতীয় উইকেটে অভিষেক মিত্র ও সিকান্দার রাজা মিলে ১৩৭ রানের জুটি গড়েন। অভিষেক ১৮ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করলেও সিকান্দার খেলেন ১০৭ রানের ইনিংস। শেষ দিকের ব্যাটাররা ভালো না করায় শাইনপুকুরের ইনিংস ৭ উইকেট হারিয়ে থেমে যায় ২৯৯ রানে। অভিষেক ১০২ বলে ১১ চারে ৮২ রানের ইনিংস খেলেছেন। অন্যদিকে সিকান্দার ৯৩ বলে ৮ চার ও ৭ ছক্কায় ইনিংসটি সাজান।
ব্যাটিংয়ে ঝড়ো ইনিংসের পর বোলিংয়ে সাফল্য পান আফিফ হোসেন। তিনি ও তানভীর ইসলাম নেন ২টি করে উইকেট।
এর আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পাওয়া আবাহনী শুরুটা ভালো করেন। ওপেনিং জুটিতে আসে ৭৩ রান। জাকির আলী ৩৫ রানে আউট হওয়ার পর দ্বিতীয় উইকেটে হানুমা বিহারি ও নাঈম শেখ মিলে ৭২ রানের জুটি গড়েন। নাঈম ৮১ বলে ৬০ রান করে আউট হন। অন্যদিকে বিহারি খেলেন ৬২ বলে ৪২ রানের ইনিংস। এরপরই ইউল্যাব মাঠে শুরু হয় মোসাদ্দেকের ঝড়!
৬৫ বলে ৮ চার ও ৫ ছক্কায় ৮৮ রানের ইনিংস খেলেন আবাহনীর এই ব্যাটার। এরপর হৃদয়ের ৩২ বলে ৩৫ রানের ইনিংসের পর আফিফ শেষ ওভারে দুই ছক্কা ও ৪ চারে তোলেন ২৮ রান। সব মিলিয়ে ১১ বলে তার সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৫ রান।
শাইনপুকুরের বোলারদের মধ্যে নাঈমুর রহমান ২টি এবং মোহর শেখ ও হাসান মুরাদ নেন একটি করে উইকেট।








