ঢাকা লিগের চলতি মৌসুমে শিরোপা ছোঁয়ার পথে থাকা শেখ জামালকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে প্রাইম ব্যাংক। রবিবার রাকিবুল-তাইজুলের ঘূর্ণি জাদুতে ২৩২ রানে করতে পারে শেখ জামাল। জবাবে এনামুল, তামিম, শাহাদাতদের হাফসেঞ্চুরিতে ৫৮ বল আগেই ২ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় প্রাইম ব্যাংক। হারের ফলে উদযাপন কিছুটা বিলম্বিত হলো প্রথমবার শিরোপার দ্বারপ্রান্তে থাকা শেখ জামালের।
বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে ২৩৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দারুণ শুরু পায় প্রাইম ব্যাংক। দুই ওপেনার এনামুল হক বিজয় ও তামিম ইকবাল মিলে ১২১ রানের জুটি গড়েন। ছন্দে থাকা এনামুল ৬৬ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৫২ রান করে আউট হলেও সেঞ্চুরির পথে ছিলেন তামিম। দ্বিতীয় উইকেটে শাহাদাত হোসেন দিপুকে সঙ্গে নিয়ে জয়ের দিকে এগুচ্ছিলেন। তারা আর ৫৩ রান যোগ করতেই সেঞ্চুরি থেকে ১০ রান দূরে থাকতে সাজঘরে ফেরেন তামিম। ৮৫ বলে ১০ চার ও ৪ ছক্কায় ৯০ রানের ইনিংস খেলে আউট হয়েছেন দেশসেরা ওপেনার। পরে তৃতীয় উইকেটে শাহাদাত হোসেন দিপু ও মোহাম্মদ মিঠুনের ৬০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় প্রাইম ব্যাংক। দিপু ৫২ রানে অপরাজিত ছিলেন, মোহাম্মদ মিঠুন ৩১ রানে। সেঞ্চুরি বঞ্চিত হলেও ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন তামিম।
শেখ জামালের পারভেজ রসুল ও সাইফ হাসান একটি করে উইকেট নেন।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় বড় ইনিংস গড়তে পারেনি শেখ জামাল। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ২৩২ রান। স্কোরটা দুইশোও পার হতো না, যদি আজ ত্রাতার ভূমিকায় না থাকতেন নুরুল হাসান সোহান। আউট হওয়ার আগে ১০৫ বলে ৯ চারে ৭১ রানের ইনিংস খেলে বড় অবদান রেখেছেন। পরে লেট অর্ডারে মেহেদী হাসান মিরাজ ৪৭ ও পারভেজ রসুলের ৩৭ রানে ভর করে শেখ জামাল ২৩২ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে।
প্রাইম ব্যাংকের বোলারদের মধ্যে তাইজুল ইসলাম ৪২ রানে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া রাকিবুল হাসান দুটি এবং শরিফুল, করিম জান্নাত ও এনামুল একটি করে উইকেট নিয়েছেন।









