ঠাসা সূচিতে ব্যস্ত সময় কাটাতে হচ্ছে ক্রিকেটারদের। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটেও অনেক ব্যস্ততা। সব মিলিয়ে অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে পড়তে হচ্ছে ইনজুরিতে। সিনিয়ররা বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ থাকলেও জুনিয়রদের সেটি নেই। ফলে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের প্রয়োজনবোধ করছেন তারা। সেই সুযোগ পাচ্ছেন তাসকিন-মিরাজ-শরিফুলরা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কেনা এজটেন সফটওয়্যারের মাধ্যমে নিজেদের ওয়ার্কলোড নির্ণয় করতে পারবেন ক্রিকেটাররা।
ইংল্যান্ডের তৈরি এজটেন সফটওয়্যার কিনেছে বিসিবি। অ্যাথলেটদের ওয়ার্কলোড নির্ণয় করে এই সফটওয়্যার। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, আইপিএল, মেজর লিগ সকার ও বেসবল লিগের দলগুলো এই সফটওয়্যার ব্যবহার করছে। এটি ব্যবহারের মাধ্যমে ক্রিকেটাররা ভবিষ্যতে সুফল পাবেন বলে আশা করছেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী।
কীভাবে কাজ করে এই সফটওয়্যার? প্রথমে ক্রিকেটারদের কার্যবিবরণী দেওয়া হয়। যেমন, একজন খেলোয়াড় কতক্ষণ মাঠে ছিলেন, কতক্ষণ রানিং করেছেন, বোলার কত ওভার টানা বোলিং করেছেন, কতক্ষণ বিশ্রাম নিয়েছেন, আবার বোলিং করেছেন, কতক্ষণ ব্যাটিং করেছেন, কতক্ষণ ফিল্ডিং করেছেন- এইসব। মোট কথা একজন ক্রিকেটার কী কী করেছেন তার সঠিক তথ্য এখানে পুশ করা হয়। তারপর সফটওয়্যার বলে দেবে ক্রিকেটারদের ফিটনেসের বর্তমান অবস্থা। ফল ভালো হলে সবুজ সংকেত। খারাপ হলে লাল সংকেত।
সফরওয়্যারটি নিয়ে দেবাশীষ চৌধুরী বলেছেন, ‘আমাদের যে ওয়ার্কলোড সফটওয়্যার আছে, সেটাই আমাদের বলে দেবে যে কোন খেলোয়াড় রেড জোনে প্রবেশ করছে, কোন খেলোয়াড়ের ওয়ার্কলোড বেড়ে যাচ্ছে। যদি দেখি কোনও খেলোয়াড়ের ওয়ার্কলোড বেড়ে যাচ্ছে, তাকে সতর্ক করা হবে। টিম ম্যানেজমেন্টকে জানানো হবে।’
বিসিবির এই চিকিৎসক আরও বলেছেন, ‘এটা পেস কিংবা স্পিন নয়। স্পিনারদেরও কিন্তু ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের ব্যাপার আছে, যেহেতু তারা লম্বা সময় ধরে বোলিং করে। যদিও পেসাররা একটু ভালনারেবল। সারা পৃথিবীতে স্বীকৃত গ্রহণযোগ্য কিছু ফর্মুলা আছে, সেগুলো আমরা অনুসরণ করছি।’
ভবিষ্যতে ঘরোয়া ক্রিকেটেও আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন দেবাশীষ।









