বয়স মাত্র ২০ বছর। খেলেছেন মোটে তিন ওয়ানডে। ইব্রাহিম জাদরান এই অভিজ্ঞতা দিয়েই পেয়ে গেলেন ৫০ ওভারের ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি। ক্যারিয়ারের চতুর্থ ওয়ানডে খেলতে নামা এই ওপেনারের হার না মানা শতকে নিজেদের শক্তি দেখালো আফগানিস্তান। স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে এক ম্যাচ আগেই নিশ্চিত করেছে ওয়ানডে সিরিজ।
আজ (সোমবার) হারারের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে আফগানরা। আগে ব্যাট করা স্বাগতিকরা মোটেও সুবিধা করতে পারেনি। আফগানিস্তানের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে ইনিংসের শেষ বলে অলআউট হওয়ার আগে মাত্র ২২৮ রান করতে পারে আফ্রিকান দেশটি। সহজ এই লক্ষ্য ইব্রাহিমের অপরাজিত ১২০ রান ও রহমত শাহর ৮৮ রানে ভর করে ৩৩ বল আগেই ২ উইকেট হারিয়ে টপকে যায় আফগানরা। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজ এক ম্যাচ আগেই ২-০তে জিতে নিয়েছে সফরকারীরা।
২২৯ রানের লক্ষ্য মোটেও কঠিন ছিল না। তবে শুরুতেই রহমানউল্লাহ গুরবাজ (৪) আউট হয়ে গেলে চাপে পড়ে আফগানরা। তবে জিম্বাবুয়ের আশার আলো ফুটতে দেয়নি ইব্রাহিম-রহমত জুটি। দ্বিতীয় উইকেটে তারা গড়েন ১৯৫ রানের জুটি।
স্বাগতিক বোলারদের শাসন করে পাল্লা দিয়ে রান তুলেছেন তারা। দুজনই হাঁটেন সেঞ্চুরির পথে। তবে দুর্ভাগ্য রহমতের। ৮৮ রানে তিনি বিদায় নেন ডোনাল্ড তিরিপানোর শিকার হয়ে। রেগিস চাকাভার গ্লাভসে ধরা পড়ার আগে ১১২ বলের ইনিংসটি সাজান ৯ বাউন্ডারিতে।
রহমত না পারলেও ইব্রাহিম তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। ২০ বছরের তরুণ ব্যাট করেছেন পরিণত ক্রিকেটারের মতো। তাকে আউটই করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। ওপেনিংয়ে নেমে দলের জয় নিশ্চিত করে ছাড়েন মাঠ। ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা এই ওপেনার খেলেন ১২০ রানের অনবদ্য ইনিংস। ১৪১ বলের হার না মানা ইনিংসটি সাজান ১৬ বাউন্ডারিতে। তার সঙ্গে জয় নিশ্চিত করেন ১ রানে অপরাজিত থাকা অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শহিদি।
আফগানদের হারানো উইকেট দুটি ভাগ করে নিয়েছেন ব্লেসিং মুজারাবানি ও তিরিপানো।
এর আগে আফগানিস্তানের বোলারদের সামনে কঠিন পরীক্ষা দিয়েছেন জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা। রানের খাতা না খুলতেই বিদায় নেন চাকাভা। ইনোসেন্ট কাইয়া ও অধিনায়ক ক্রেগ আরভিন ওই চাপ কাটিয়ে উঠলেও পরের দিকের ব্যাটারদের ব্যর্থতায় স্কোর বেশিদূর যায়নি স্বাগতিকদের। সর্বোচ্চ ৬৩ রান করেন কাইয়া। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫১* রান আসে রায়ান বার্লের ব্যাট থেকে। ৪০ রান করেন সিকান্দার রাজা। আর আরভিনের ব্যাট থেকে আসে ৩২ রান।
আফগানদের সবচেয়ে সফল বোলার ফরিদ আহমেদ। এই বাঁহাতি পেসার ৫৬ রানে নেন ৩ উইকেট। আর ২টি করে উইকেট শিকার ফজলহক ফারুকী, মোহাম্মদ নবি ও রশিদ খানের।









