বেটউইনারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়া এবং চুক্তি বাতিল করার পুরো ঘটনাতেই নীরব ভূমিকাতে ছিলেন সাকিব আল হাসান। শুধুমাত্র চুক্তির পর পর সামাজিক মাধ্যমে খবরটি জানিয়েছিলেন। সোমবার একই ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে সেখানেও নিশ্চুপ থাকলেন তিনি!
সরাসরি যুক্ত না হলেও নামি এক বেটিং প্রতিষ্ঠানের ক্রীড়া বিষয়ক সংবাদমাধ্যমের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। এ নিয়ে কয়েক দিন তোলপাড় হয়েছে ক্রিকেট আঙিনায়। এমনকি বিসিবি সভাপতিও ঘোষণা করেছিলেন, সাকিব চুক্তি বাতিল না করলে বাংলাদেশের ক্রিকেটে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হবে। তবে পাপনের ঘোষণার পরই বেটউইনারের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেন সাকিব।
সব জটিলতা দূর হওয়ায় সাকিবকে অধিনায়কও ঘোষণা করে বিসিবি। এশিয়া কাপে যাওয়ার আগে সোমবার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছেন। সেখানেই বেটউইনারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে জানাতে চাইলে সাকিব বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘আপনারা যেভাবে শুরু করেছেন, আর যেভাবে শেষ করেছেন; একইভাবে হয়েছে। আমার এখানে খুব বেশি কিছু বলার নেই।’
বেটিং প্রতিষ্ঠান বেটউইনারের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ক্রীড়া বিষয়ক সংবাদমাধ্যম বেটউইনার নিউজ। সাকিব তারই পণ্যদূত হয়েছিলেন। এরকম একটি প্রতিষ্ঠানের পণ্যদূত হওয়া দেশের আইন এবং ক্রিকেট নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এছাড়া নৈতিকতার প্রশ্নও এড়াতে পারেন না। বিশেষ করে সেলিব্রেটি ইমেজ নিয়ে বেটিং সাইটের মতো একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়াটা কতটা যৌক্তিক? সাকিব এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, ‘এটা আসলে আমার পক্ষে জাজ করা মুশকিল।’









