আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপটা শেষ পর্যন্ত অল-এশিয়ান টুর্নামেন্টে পরিণত হতে পারতো! ঘটনা সেইরকমই ঘটার সম্ভাবনা ছিলো। কিন্তু সোমবার চতুর্থ কোয়ার্টার ফাইনালে ক্যারিবিয়ানদের কাছে পাকিস্তান হেরে যায় ৫ উইকেটে। এ জয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে উইন্ডিজ যুবারা। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি তাদের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক বাংলাদেশ।
এদিন প্রথমে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২২৮ রানের টার্গেট দেয় পাকিস্তানের যুবারা। ৪০ ওভারে পাঁচ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
সোমবার ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের অধিনায়ক জেশান মালিক টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তানের যুবারা। ২১ রানেই তিন উইকেট হারায় তারা। সাইফ বাদার ও হাসান মহসিন ১৯ রানের ছোট জুটি হগড়েন। কিন্তু এরপরই দুটি উইকেট হারায় পাকিস্তান। দলের কঠিন সময়ে উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান ওমর মাসুদের সেঞ্চুরি ও সালমান ফায়েজের হাফসেঞ্চুরিতে ২২৭ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর সংগ্রহ করে পাকিস্তান। যুবাদের বিশ্বকাপে ৬ষ্ঠ উইকেটে সর্বোচ্চ ১৬৪ রানের জুটি গড়েন তারা।
১১৩ বলে ১৫ চার ও দুই ছয়ে ওমর মাসুদ তার ১১৩ রানের ইনিংস সাজান। এছাড়া সালমান ফায়েজ ৫৮ রানে অপরাজিত থাকেন। এই দুইজন মিলে ৬ষ্ঠ উইকেটে ১৬৪ রানের জুটি গড়েন। শেষ পর্যন্ত এদের দুই জনের ব্যাটে পাকিস্তান ৬ উইকেট হারিয়ে ২২৭ রান করতে সমর্থ হয়। ক্যারিবিয়ান বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নিয়েছেন ক্রেমান হোল্ডার। এছাড়া আলজেরি যোসেফ, সামার স্পিংগ্রার, রায়ান জন ও ক্যামু পাউল প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে তরুণ ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যানরা দেখে-শুনে শুরু করেন। ওপেনিংয়ে তারা ৪৫ রানের জুটি করেন। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে আসে ৭৭ রান। উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান তাভিন ইমল্যাচ ৫৪ রানের ইনিংস খেলেন। এছাড়া স্যামরন ৫২ রান করেন। এরপর দ্রুত দুই উইকেট পড়ে গেলে কিছুটা শঙ্কায় পড়ে ক্যারিবীয়রা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৬০ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। স্পিংগ্রারের ৩৭ বলে ৩৭ রান খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ম্যাচ জয়ের ক্ষেত্রে। তিনি ৩ চার ও দুই ছয়ে তার ইনিংসটি সাজিয়েছেন। এছাড়া জার্ড গুগলি ২৬ ও ক্যামু পাউল ২০ রানে অপরাজিত থাকেন।
পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে একটি করে উইকেট নিয়েছেন সামেন গুল, আহমেদ শফিক ও শাহদাব খান।
/আরআই/এমআর/







