ফিফা প্রীতি ম্যাচকে সামনে রেখে জাতীয় দলের অনুশীলন চলছে। শুক্রবার জামাল ভূঁইয়াদের অনুশীলন দেখতে আর্মড পুলিশ মাঠে উপস্থিত হন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনও। সেখানে খেলোয়াড়দের পেশাদার ফুটবলারদের মতো আচরণ করতে বলেছেন এই সাবেক তারকা।
অনুশীলনে সালাউদ্দিনের এমন উপস্থিতি মোটেও নতুন নয়। এদিন জাতীয় দলের অনুশীলন শুরু থেকে দেখেছেন। তাদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘তোমরা পেশাদার ফুটবলার, পেশাদারের মতো আচরণ করতে হবে। কারণ, তোমরা দেশের হয়ে খেলছো। দেশের হয়ে খেলার চেয়ে আর কোনও সম্মান নেই। আমি ১৬ বছর বয়স থেকে খেলছি। তবে যত খেলাই খেলি না কেন, এটা অনেক সম্মানের। এটা দিয়েই মানুষের সান্নিধ্যে পৌঁছানো যায়।’
সাম্প্রতিক সময়ে বয়সভিত্তিক ফুটবলে বাংলাদেশ ভালো করছে। সফলতার ব্যাখ্যায় সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৭ আর মেয়েদের দল ভালো করছে কেন? এদের আমরা বেসিক থেকে শুরু করেছি। দুটোই ফেডারেশনের দল। আমরা এ, বি, সি, ডি শিখিয়ে আনছি। জাতীয় দলের ক্ষেত্রে হয় কি, এরা এ বি সি শিখে অন্য ক্লাবের সঙ্গে থাকে। আমরা যখন নিই, তখন ওরা গ্র্যাজুয়েশন পরীক্ষা দিতে আসে। প্রিপারেশনটা আমাদের মতো হয় না। তবে ক্লাবগুলো যদি উন্নত হয়ে যায়, যদি ক্লাবের অনূর্ধ্ব-১৮ খেলে এবং কিছু কিছু পেশাদার আচরণ আসে, তাহলে সম্ভব।’
ঘরোয়া ফুটবলে আবাহনী লিমিটেড ও বসুন্ধরা কিংসের অবদানের কথা তুলে ধরে সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘বেসিক্যালি বসুন্ধরা-আবাহনী মেজর দুই দল; যাদের অবদানটা দেশে আসে। অন্য দলগুলো থেকে সত্যি বলতে ছাপটা জাতীয় দলে পড়ে না। এই দুইটা দল কমপক্ষে চেষ্টা করছে, বাকিরা একদমই করছে না।’
পাতানো ম্যাচের দায়ে দুটি ক্লাব, খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সালাউদ্দিন এর সপক্ষে বলেছেন, ‘শাস্তি দেওয়া হয়েছে। কারণ, তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া গেছে। কমিটি যাকে দোষী পেয়েছে, তাকেই শাস্তি দিয়েছে। আমাদের বিবেককে তো কৈফিয়ত দিতে হবে। কেউ ফিফায় যাবে যাক। তাকে তো না করা হয়নি।’









