শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০ রানের। কিন্তু নুরুল হাসান সোহান চেষ্টা করেও প্রয়োজনীয় রান নিতে পারেননি। ৫ বলে ১ চার ও ১ ছক্কায় ১৩ রান নিলে শেষ বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন হয় ৭ রানের। অন্তত ম্যাচটি টাই করতে লাগতো ৬ রান। কিন্তু সোহান নিতে পেরেছেন ১ রান। তাতেই ৫ রানে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি হেরে টুর্নামেন্ট থেকে প্রায় বিদায় নিশ্চিত সাকিব আল হাসানদের।
১৪ বলে ২৫ রান করে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন সহ-অধিনায়ক সোহান। শেষ ওভারে ম্যাচটি জেতার আত্মবিশ্বাস নিয়েই ব্যাটিং করছিলেন উইকেটকিপার এই ব্যাটার। যদিও শেষ পর্যন্ত একটি বাউন্ডারির আক্ষেপে পুড়ছেন তিনি, ‘ক্লোজ একটা ম্যাচ ছিল। একটা বাউন্ডারি দূরে ছিলাম। ম্যাচটা জিততে পারলে কাছাকাছি চলে যেতাম, টুর্নামেন্টের আরেক ধাপ ওপরে যাওয়ার। দুর্ভাগ্যবশত হয়নি।’
সোহানের বিশ্বাস ছিল, শেষ ওভারে এই রান হয়ে যাবে, ‘হিরো হওয়ার থেকে আমার কাছে মনে হয় যে দেশের জন্য ম্যাচ জেতাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয়, সেই সুযোগটা খুব কাছে ছিল। যেটা বললাম একটা বাউন্ডারি দূরে ছিলাম। ওইটাই আশা করছিলাম যেন ম্যাচটা জিততে পারি। শেষ পর্যন্ত এটাই আশা করছিলাম। দুর্ভাগ্যবশত হয়নি।’
ভারতের দেওয়া ১৮৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। ৭ ওভারে ৬৬ রান তোলার পর হুট করে বৃষ্টি নামে। বৃষ্টির পর প্রয়োজন ছিল ৫৪ বলে ৮৫ রান। হাতে ছিল ১০ উইকেট। পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যাটিং করতে পারলেই ম্যাচটি জেতা সম্ভব হতো। কিন্তু মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার মিছিলে হার নিশ্চিত হয়ে যায়। মাত্র ৯ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ। ফলে শেষ দিকে আপ্রাণ চেষ্টা করে জয়ের বন্দরে পৌঁছা সম্ভব হয়নি।
অথচ ক্যালকুলেটিভ ক্রিকেট খেললেই হাসিমুখে মাঠ ছাড়া যেত। বাংলাদেশের সহ-অধিনায়ক বলেছেন, ‘সবাই ক্যালকুলেটিভ চিন্তা করে। কিন্তু বাইরে থেকে চিন্তা করে যাওয়া একরকম, মাঠে গিয়ে পরিস্থিতিটা আর একরকম থাকে না। সবসময় এমন না যে, ক্যালকুলেট করে গেলেই ওই জিনিসটা করতে হবে। বাস্তাবায়ন করাটাও গুরুত্বপূর্ণ।’
কোহলির অপরজিত হাফসেঞ্চুরিতে ভারত ১৮৪ রান করে। এরপর লিটন দাসের ঝড়ো হাফসেঞ্চুরিতে ৭ ওভারে ৬৬ রান তুলে ফেলে বাংলাদেশ। লিটনই মূলত ম্যাচের টোন সেট করে দিয়েছিলেন বলে জানালেন সোহান, ‘লিটন একটা ভালো মঞ্চ সেট করে দিয়েছিল। আমরাও ক্লোজলি গিয়েছিলাম। বাট আল্টিমেটলি... লাস্ট ওভারে আমিও কনফিডেন্ট ছিলাম যে হয়ে যাবে। তবে যেটা বললাম যে, একটা বাউন্ডারি শর্ট।’







