সাকিব আল হাসান ভালো পারফরম্যান্স করলে দল জেতে। পুরোনো এই কথা আবার প্রমাণিত হলো। আগে ব্যাটিং করে সাকিব খেলেছেন ৭৫ রানের ইনিংস। শান্ত-মুশফিকের হাফসেঞ্চুরির পর তার ওই ইনিংসে ইংল্যান্ডকে ২৪৮ রানের লক্ষ্য দিতে বড় অবদান রেখেছে। শুধু ব্যাটিংই নয়, বোলিংয়ে ইংলিশদের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দিতে ভূমিকা রেখেছেন বাঁহাতি এই স্পিনার। সাকিবের এমন পারফরম্যান্সের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে তাকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের শেষটায় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ৫০ রানে জেতায় সবচেয়ে বেশি অবদান সাকিবের। ব্যাটে-বলে অলরাউন্ড পারফরম্যান্স করে সাকিব ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেছেন। চট্টগ্রামে এমন পারফরম্যান্সের পর তার প্রশংসা করতে গিয়ে তামিম বলেছেন, ‘আমার মনে হয় যে আজ (সোমবার) তার পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। সে পুরো ক্যারিয়ারে অসাধারণ খেলা খেলেছে। আমি সবসময় বলি, যে কোনও দল সাকিবের মতো ক্রিকেটারকে পেলে ধন্য হবে।’
শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে মুশফিকের সঙ্গে ৩৮, মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে ১০, আফিফের সঙ্গে ৪৯, মিরাজের সঙ্গে ৭, তাইজুলের সঙ্গে ৮ এবং এবাদতের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ১৯ রানের জুটি গড়েন সাকিব। বাঁহাতি এই ব্যাটারের ব্যাটিংয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ অধিনায়ক তামিম, ‘সাকিব ফেনোমেনাল ছিল। সে যেভাবে ব্যাটিং করেছে। বিশেষ করে শেষ দিকের ব্যাটারদের নিয়ে। তখনকার ওই ২০-২৫ রান খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’
ব্যাটিংয়ের পর সাকিবের বোলিং পারফরম্যান্স নিয়েও কথা বলেছেন তামিম, ‘সত্যি বলতে উইকেটে তেমন স্পিন ছিল না। কিন্তু সে যেভাবে বোলিং করেছে, সত্যিই দুর্দান্ত ছিল। যা পরে তাইজুলকেও আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। যার শুরুটা ভালো ছিল না। সাকিব যেভাবে বোলিং করেছে তা দেখেছে, সাকিবের সঙ্গে কথাও বলেছে। সবমিলিয়ে এটা চমৎকার পারফরম্যান্স ছিল।’
মানসিকভাবে শক্ত হওয়ার কারণেই সাকিবের কাছ থেকে এমন পারফরম্যান্স আসছে বলে মনে করেন দেশসেরা ওপেনার, ‘আমি মনে করি, সাকিব মানসিকভাবে খুব শক্ত। বেশিরভাগ সময় দেখবেন যখন সে চাপে থাকে, এরকম পারফরম্যান্স করে। অতীতেও সে এমন করেছে। সে মানসিকভাবে যেমন শক্ত, তেমনি তার স্কিলসেটও দারুণ। খুব বেশি ক্রিকেটার এমনটা পারে না, যে দশ ওভার বোলিং করে এবং তার মতো ব্যাটিং করে। আমি মনে করি, সে দুটিই দারুণভাবে কাজে লাগায়।’









