লক্ষ্য ২৬১ রানের। ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজে হার এড়াতে এই রান করতে হতো দক্ষিণ আফ্রিকাকে। কিন্তু ১৩তম ওভারে ৮৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে শঙ্কার সাগরে পড়েছিল তারা। ওই অবস্থা থেকে দলকে টেনে তুললেন হেনরিখ ক্লাসেন। তার ঝড়ো সেঞ্চুরিতে ২৯.৩ ওভারেই ৪ উইকেটে জিতে গেলো প্রোটিয়ারা।
তাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ১-১ এ ভাগাভাগি করলো স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম ম্যাচটি পরিত্যক্ত হওয়ার পর দ্বিতীয় ওয়ানডে হেরে যায় তারা।
দক্ষিণ আফ্রিকার শুরুর ধাক্কা কাটাতে ক্লাসেনের পাশে ছিলেন ডেভিড মিলার। ৫৫ রানের জুটি গড়েন তারা, যদিও তাতে মিলারের অবদান ছিল মাত্র ১৭ রানের।
পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে মিলারকে ১৪২ রানে ফেরানোর পর ম্যাচ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে নেয় ক্যারিবিয়ানরা। কিন্তু ক্লাসেন ঠাণ্ডা মাথায় ঝড় তোলেন, তাকে দারুণ সঙ্গ দেন মার্কো জানসেন।
৩০ বলে ৫০ করা ক্লাসেন আর ২৪ বল খেলে বাকি পঞ্চাশ করেন। ৫৪ বলে ১২ চার ও চার ছয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করেন এই ব্যাটার। তাতে জয়ের ভিত শক্ত হয়। তার সঙ্গে জানসেন ইনিংস শেষ করে দিয়ে আসতে পারেননি। ৬২ বলে ১০৩ রান আসে এই জুটিতে। জানসেন ৩৩ বলে ৪৩ রান করেন। জয়ের আনুষ্ঠানিতা সারেন ওয়েন পার্নেল ও ক্লাসেন। দুজনের ৭ বলে ১৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে জয় পায় প্রোটিয়ারা।
৬১ বলে ১৫ চার ও ৫ ছয়ে ১১৯ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচসেরা হন ক্লাসেন। ৬ উইকেটে ২৬৪ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা।
উইন্ডিজের পক্ষে আলজারি জোসেফ সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন। দুটি পান আকিল হোসেন।
পচেফস্ট্রুমে আগে ব্যাট করতে নেমে ব্র্র্যান্ডন কিং ইনিংস সেরা ৭২ রান করেন। জানসেন, বিয়র্ন ফোরটুইন ও গেরাল্ড কোয়েটজির বোলিং সামলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আড়াইশ ছাড়ানো ইনিংস সংগ্রহে আরও অবদান রাখেন নিকোলাস পুরান (৩৯) ও হোল্ডার (৩৬)।
জানসেন, ফোরটুইন ও কোয়েটজি সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট নেন।









