একটি জুয়া কোম্পানির বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়ে বিপদে পড়েছিলেন ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের প্রধান কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। জুয়ারিদের সঙ্গে তার বিজ্ঞাপন সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) কাঠগড়ায় ওঠানো হয় তাকে। শেষ পর্যন্ত সুখবর পেয়েছেন নিউ জিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক।
ম্যাককালামের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না ইসিবি। একজন মুখপাত্রের বক্তব্য, ‘গত কয়েক দিন ধরে ব্রেন্ডনের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। একজন নিয়োগকর্তা ও নিয়ন্ত্রকের দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা বিষয়টি বিবেচনা করছি। আমরা নিশ্চিত করতে পারি, ভবিষ্যতে তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।’
নিউ জিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক যে জুয়া তথা বেটিং কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করেছেন সেটি মূলত সাইপ্রাসে নিবন্ধিত। নাম-২২বেট ইন্ডিয়া। তাদের সঙ্গে চুক্তিটি হয় তার ইংল্যান্ডের কোচ হওয়ার পূর্বে। তবে বিষয়টি আলোচনায় আসে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে। বিশেষ করে নিউ জিল্যান্ডে ইউটিউব দেখতে গেলেই বার বার আসতে থাকে ম্যাককালামের বেটিং সংশ্লিষ্ট একটি ভিডিও। তাতে আইপিএলকে কেন্দ্র করে বেটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি।
তার পর থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। কারণ নিউ জিল্যান্ডে অনলাইন বেটিং অবৈধ। তার পর নিউ জিল্যান্ডের প্রবলেম গ্যাম্বলিং ফাউন্ডেশন দেশটির ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্সে অভিযোগ দায়ের করলে শেষ পর্যন্ত দেশটিতে ‘জিওব্লকড’ করা হয় ওই বিজ্ঞাপন। অর্থাৎ দেশটিতে আর সেটি দেখা যাচ্ছে না। তার পর প্রবলেম গ্যাম্বলিং ফাউন্ডেশন যোগাযোগ করে ইসিবির সঙ্গেও।
ইংলিশ ক্রিকেট বোর্ডেও এই সংক্রান্ত কঠোর নিয়ম আছে। ইসিবির দুর্নীতি বিরোধী আইন অনুযায়ী বেটিংয়ে উৎসাহ দেওয়া নিষিদ্ধ। ফলে ম্যাককালামের সঙ্গে ওই বেটিং কোম্পানির সম্পর্কের বিষয়টি যাচাই করে দেখার কথা জানায় ইসিবি। এক্ষেত্রে বোর্ডের নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে কিনা, সেটাই দেখতে চেয়েছিল তারা।
নিয়ন্ত্রক ও নিয়োগকর্তার দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি বিবেচনার পর ইসিবি জানায়, ম্যাককালাম ভুল কিছু করেননি। খেলোয়াড় ও কোচদের স্বাক্ষরিত দুর্নীতিবিরোধী আচরণবিধি অনুযায়ী এই ধরনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরের ভূমিকা নিষিদ্ধ নয়।









