প্রথম ম্যাচে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। নিউ জিল্যান্ডের কাছে অল্প ব্যবধানে হেরে দারুণ কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিল। তারই প্রতিফলন দেখা যায় শনিবারের ম্যাচে। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাজে ব্যাটিং-বোলিংয়ে আমিরাতকে ইতিহাস গড়ার সুযোগ করে দিয়েছিল নিউ জিল্যান্ড। আজ রবিবার সিরিজ নির্ধারণী টি-টোয়েন্টিতে ভুল করেনি তারা, চিরচেনা রূপে শক্তিমত্তা দেখালো। তাতে ৩২ রানে স্বাগতিকদের হারিয়ে ২-১ এ সিরিজ নিশ্চিত করলো কিউইরা।
আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ উইকেটে ১৬৬ রান করে নিউ জিল্যান্ড। তারপর আমিরাতকে ৭ উইকেটে ১৩৪ রানে থামায় তারা।
শনিবারের ঐতিহাসিক জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে নিউ জিল্যান্ডকে শুরুতে চেপে ধরেছিল আমিরাত। টসে জিতে ফিল্ডিং নিয়ে ৩৫ রানের মধ্যে দুই ওপেনার চ্যাড বাওয়েস (৯) ও টিম সেইফার্টকে (১৩) ফেরায় তারা।
তারপর অবশ্য উইল ইয়াং ও মার্ক চ্যাপম্যান দারুণ জুটিতে চাপ কাটিয়ে ওঠেন। ৮৪ রানের জুটি গড়ার পথে ইয়াং ফিফটির দেখা পান। তবে ইনিংস আর বড় করতে পারেননি। ৪৬ বলে ৭ চার ও ১ ছয়ে ৫৬ রানে থামেন তিনি।
কিছুক্ষণ পর চ্যাপম্যানও হাফ সেঞ্চুরি করে বিদায় নেন। ৩২ বলে ৫ চার ও ২ ছয়ে ৫১ রান করেন এই ব্যাটার। শেষ দিকে মিচেল স্যান্টনারের ১১ বলে ২০ রানে ভর করে ১৬৬ রানের সংগ্রহ করে নিউ জিল্যান্ড।
কিউইদের পাঁচ উইকেটের তিনটিই পান জুনায়েদ সিদ্দিক।
লক্ষ্য দেওয়ার পর পঞ্চম ওভারের মধ্যে মোহাম্মদ ওয়াসিম (৮) ও ভৃত্য অরবিন্দের (১২) উইকেট নেন বেন লিস্টার ও কাইল জেমিসন।
পরে নবম ওভারে জোড়া ধাক্কায় খেই হারায় আমিরাত। ৫৩ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর বাসিল হামিদ ও আয়ান আফজাল খান ৬৮ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়লেও তা জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না।
১৯তম ওভারে জোড়া উইকেট নেন লিস্টার। সর্বোচ্চ ৪২ রান করা আফজাল থামেন, ডাক মারেন মোহাম্মদ ফারাজউদ্দিন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৪ রানে অপরাজিত ছিলেন বাসিল।
সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন লিস্টার।
সিরিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে ম্যাচসেরা হয়েছেন ইয়াং। ১২৯ রান করে সিরিজ সেরা চ্যাপম্যান।








