তিন টেস্ট খেলে সর্বোচ্চ রান ছিল অপরাজিত ১৮। রঙিন পোশাকে গত বছর অবিস্মরণীয় করে রাখা রাচিন রবীন্দ্র লম্বা সময় পর লাল বলের ক্রিকেট খেলতে নেমেও একই ছন্দে। প্রথম সেঞ্চুরিকে রূপ দিয়েছেন ডাবল সেঞ্চুরিতে। ‘নতুন’ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টে নিউজিল্যান্ডের ২৮১ রানের জয়ে জোড়া সেঞ্চুরিতে তার সঙ্গে সমান অবদান রেখেছেন কেন উইলিয়ামসনও। তবে ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে রাচিনের হাতে। পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি এই পুরস্কার উইলিয়ামসনের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে চান কিনা। স্পষ্টভাষী রাচিন কোনও রাখঢাক না রেখে তা প্রত্যাখ্যান করলেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির দেখা পান রাচিন। সেটাকে তিনি পরিণত করেন ডাবল সেঞ্চুরিতে। ৩৬৬ বলে ২৪০ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ২৬ চার ও তিন ছয়ে। নিউজিল্যান্ডের চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে প্রথম সেঞ্চুরিকে ডাবল সেঞ্চুরি বানান রাচিন। ওই ইনিংসে ৩৯ রানে ২ উইকেট পড়ার পর উইলিয়ামসনের সঙ্গে জুটি বাঁধেন তিনি। তৃতীয় উইকেটে দুজনে যোগ করেন ২৩২ রান। তাতে করে ৫১১ রানের পাহাড় গড়ে নিউজিল্যান্ড।
অন্যদিকে উইলিয়ামসন প্রথম ইনিংসে ১১৮ রান করার পর পরের ইনিংসে করেন ১০৯ রান। পঞ্চম কিউই ব্যাটার হিসেবে টেস্টে জোড়া শতক হাঁকান তিনি। মূলত দুজনই নিউজিল্যান্ডের দারুণ জয়ের কারিগর। তাই ম্যাচসেরা নির্বাচনে দোটানায় পড়তে হয়েছে নির্বাচকদের।
শেষ পর্যন্ত ২৪ বছর বয়সী রাচিনকে দেওয়া হয়েছে পুরস্কার। এই পুরস্কার উইলিয়ামসনের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে চান কি না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া হয় তার দিকে। রাচিনের সোজাসাপ্টা উত্তর, ‘না, একদমই নয়। তিনি ৩১টি টেস্ট সেঞ্চুরি করেছেন, আর আমি একটা। তাই আমি এটা দিচ্ছি না। যে কোনও সময় জয়ের জন্য অবদান রাখতে পারলে বিশেষ অনুভূতি হবে। আপনি যতদিন আপনার সর্বোচ্চটা দিবেন, ততদিন মনে হবে এটাই আপনার জন্য ঠিক জায়গা।’









