মুলতানে দ্বিতীয় টেস্টে প্রথম ম্যাচের স্মৃতি যেন ফিরে আসছিল। সপ্তম দিনের ব্যবহৃত পিচে দারুণ ব্যাটিংয়ে ইংল্যান্ড সহজেই লিড নেওয়ার পথে ছিল। বেন ডাকেটের সেঞ্চুরিতে দাপট ধরে রাখে সফরকারীরা। সাজিদ খান ও নোমান আলীরা নিখুঁত লেন্থে বোলিং করেও পুরস্কার পাচ্ছিলেন না। হঠাৎ করে জীবন্ত হয়ে উঠলো পিচ, তাতে পাকিস্তানের স্পিনাররা ঘুরিয়ে দিলো ম্যাচ। বড় হোঁচট খেয়ে ইংল্যান্ড উল্টো ধুঁকতে শুরু করেছে। চার উইকেট হাতে রেখে প্রথম ইনিংসে এখনও ১২৭ রানে পিছিয়ে তারা। বলা যায়, দ্বিতীয় দিন শেষে ম্যাচে এগিয়ে পাকিস্তান।
৫ উইকেটে ২৫৯ রানে বুধবার দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে পাকিস্তান। ৩৭ রানে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ৫ রানে সালমান আগা অপরাজিত ছিলেন। ব্রাইডন কার্স ও জ্যাক লিচ বল হাতে স্বাগতিকদের প্রতিরোধ ভেঙে দেন। দিনের শুরুতেই রিজওয়ান (৪১) থামেন কার্সের বলে। আমির জামালকে নিয়ে সালমানের জুটিতে পাকিস্তান তিনশ পার করে। ৩১ রানে ম্যাথু পটসের শিকার হন সালমান। সাজিদ (২) দ্রুত প্যাভিলিয়নে ফিরে যান।
আমির জামাল নোমানকে নিয়ে ৪৯ রানের জুটিতে লড়াই চালিয়ে যান। ৩৭ রানে থামেন তিনি। নোমানকে (৩২) লিচ নিজের চতুর্থ শিকার বানিয়ে পাকিস্তানকে ৩৬৬ রানে গুটিয়ে দেন।
লিচ সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন। তিনটি পান কার্স, দুটি গেছে পটসের পকেটে।
প্রথম ম্যাচের মতো এবারও আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে শুরু করে ইংল্যান্ড। ১২ ওভার শেষে তাদের স্কোর বিনা উইকেটে ৭৩ রান। ইনিংসের মাঝপথে ৪২তম ওভারেও তারা ভালো অবস্থানে ছিল। ২ উইকেটে ২১১ রান। তারপর সাজিদের স্পিন বিষে নীল সফরকারীরা।
১৮ বল পর ইংল্যান্ডের অবস্থা শোচনীয়। ১৪ রানের মধ্যে নেই চার উইকেট। সাজিদের প্রথম শিকার হন জো রুট। আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ব্যাটার ৩৪ রানে মাঠ ছাড়েন। পরের ওভারে পাকিস্তানি স্পিনার ডাকেটকে থামান, ১১৪ রান করেন ইংলিশ ব্যাটার। ১৬ চারে সাজানো ইনিংস শেষ হয় সালমানের ক্যাচে। একই ওভারে বিপজ্জনক হ্যারি ব্রুক (৯) সাজিদের কাছে বোল্ড হন।
নোমান স্টোকসকে (১) ফিরিয়ে পাকিস্তানের দিকে ম্যাচ ঘুরান। ৬ উইকেটে ২৩৯ রান তাদের। ১২ রানে অপরাজিত জেমি স্মিথের সঙ্গে কেবল টেল এন্ডার ব্যাটাররা ক্রিজে আছেন।
সাজিদ ৪ উইকেট নিয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের সফল বোলার। বাকি দুটি পান নোমান।









