স্কোর (প্রথম দিন শেষে): প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা ৪১ ওভারে ১৪০/৬ (মুল্ডার ১৭*, ভেরেইন ১৮*; মারক্রাম ৬, স্টাবস ২৩, বেডিংহ্যাম ১১, ডি জর্জি ৩০, ব্রিটজকে ০, রিকেলটন ২৭)
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪০.১ ওভারে ১০৬/১০ (হাসান ৪*; সাদমান ০, মুমিনুল ৪, শান্ত ৭, মুশফিক ১১, লিটন ১, মিরাজ ১৩, জয় ৩৩, জাকের ২, নাঈম ৮, তাইজুল ১৬)
চ্যালেঞ্জিং উইকেটে ঘটনাবহুলভাবে শেষ হলো মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন। প্রথম দিনেই উইকেট পড়েছে ১৬টি! বাংলাদেশ শুরুতে ব্যাট করলেও বাজে ব্যাটিংয়ে গুটিয়ে গেছে মাত্র ১০৬ রানে। তবে দলের পারফরম্যান্সে বাজে ব্যাটিংয়ের সঙ্গে ছিল ভালো বোলিংয়ের সমন্বয়। দক্ষিণ আফ্রিকা লিড নিয়ে এগিয়ে থাকলেও তাদের অর্ধেকের বেশি উইকেট তুলে নিতে পেরেছে স্বাগতিকরা। তাতে চাপে রয়েছে প্রোটিয়া দল। প্রথম দিনে আলোর স্বল্পতায় খেলা আগেভাগে সমাপ্ত হওয়ার আগে তাদের স্কোর ছিল ৪১ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪০ রান। প্রোটিয়ারা এগিয়ে আছে ৩৪ রানে।
১০৮ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর ৩২ রানে অবিচ্ছিন্ন থেকে মাঠ ছেড়েছেন কাইল ভেরেইন ও ভিয়ান মুল্ডার। ভেরেইন ১৮ রানে অপরাজিত আছেন। মুল্ডার অপরাজিত ১৭ রানে।
বাংলাদেশের সেরা বোলার ছিলেন বামহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ৪৯ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন। এটি তাইজুলের ১৩তম ৫ উইকেট শিকারের নজির। একটি উইকেট নিয়েছেন হাসান মাহমুদ। মিরাজ ছিলেন উইকেটশূন্য।
তাইজুলের পঞ্চম শিকার, সাজঘরে রিকেলটন
স্পিন বান্ধব উইকেটে ঝলক দেখাচ্ছেন তাইজুল ইসলাম। তার ঘূর্ণিতে প্রোটিয়া ব্যাটাররা খেই হারিয়েছেন। জোড়া আঘাতে জর্জি, ব্রিটজকের উইকেট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিপদে ফেলেছেন তিনি। তিন ওভার বিরতি দিয়ে তাদের আরও সংকটে ফেলেছেন। তার পঞ্চম শিকারে পরিণত হয়েছেন রায়ান রিকেলটন। কাট করতে গিয়ে লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি হয়েছেন ২৭ রানে। তাতে ১০৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছে সফরকারীরা। ততক্ষণে অবশ্য লিড নিয়ে ফেলেছে প্রোটিয়া দল।
ডি জর্জি, ব্রিটজকের উইকেট নিয়ে তাইজুলের ২০০
শুরু থেকেই প্রান্ত আগলে খেলছিলেন ওপেনার টনি ডি জর্জি। ছোট ছোট জুটিতে দলকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন তিনি। দলের স্কোর শতরান ছাড়ানোর আগেই তার প্রতিরোধ ভাঙেন তাইজুল। শর্ট লেগে ৩০ রানে মাহমুদুল হাসান জয়ের তালুবন্দি হয়েছেন। আউটের আগে চতুর্থ উইকেট জুটিতে ২৭ রান যোগ করেছিলেন রিকেলটনকে সঙ্গে নিয়ে। একই ওভারে তাইজুল আবার আঘাত হানলে প্রোটিয়ারা হারায় পঞ্চম উইকেট। নতুন ব্যাটার ব্রিটজকে দারুণ ঘূর্ণিতে পরাস্ত করেছেন। প্রোটিয়াদের ব্যাটার তাইজুলের বলের লাইন বুঝতেই পারেননি। শূন্যরানে বোল্ড হয়েছেন। এই উইকেট তুলে টেস্টে দুইশ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন তাইজুল।
সেই বেডিংহ্যামকে ফেরালেন তাইজুল
আগের ওভারে বেডিংহ্যামের ক্যাচ ছেড়েছেন সাদমান। এক ওভার পর অবশ্য তাইজুলের ঘূর্ণিতে আর পেরে উঠেননি তিনি। কাট করতে গিয়ে এজ হয়ে ১১ রানে লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি হয়েছেন প্রোটিয়া ব্যাটার। তাতে ৭২ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় সফরকারী দল।
বেডিংহ্যামের ক্যাচ মিস করলেন সাদমান
চা বিরতি থেকে ফিরে দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট নেওয়ার সুযোগ এসেছিল বাংলাদেশের। তাইজুল ইসলামের বলে স্লিপে ক্যাচ গিয়েছিল নতুন ব্যাটার ডেভিড বেডিংহ্যামের। কিন্তু প্রথম স্লিপে থাকা সাদমান ইসলাম বল হাতেই জমাতে পারেননি। তখন বেডিংহ্যাম ১০ রানে ব্যাট করছিলেন।
প্রোটিয়াদের দুই উইকেট নিয়ে চা বিরতিতে বাংলাদেশ
মিরপুর টেস্টে ব্যাটিংটা কঠিন চ্যালেঞ্জের হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসেই দেখা গেছে সেটা। তার পরেও মিরাজ-তাইজুল-নাঈমদের ঘূর্ণি সামলে শুরুটা খারাপ করেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় সেশনে চায়ের বিরতিতে যাওয়ার আগে ২ উইকেট হারালেও প্রোটিয়ারা ৬৫ রান তুলে ফেলেছে। পিছিয়ে আছে ৪১ রানে। ৯ রানে অপরাজিত ডেভিড বেডিংহ্যাম। ১৯ রানে ব্যাট করছেন টনি ডি জর্জি। বাংলাদেশকে অবশ্য বল হাতে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে দেখা যায়নি। লুজ বল দেওয়ায় সেগুলো কাজে লাগিয়েছে প্রোটিয়ারা।
স্টাবসকে ফেরালেন তাইজুল
প্রথম ওভারে উইকেট হারালেও ধাক্কা সামাল দিচ্ছিলেন স্টাবস ও ডি জর্জি। তাদের ব্যাটে স্কোর পঞ্চাশও ছাড়িয়েছে। ৪১ রানের এই জুটি ভেঙেছেন তাইজুল ইসলাম। স্টাবসকে ২৩ রানে সাদমানের ক্যাচ বানিয়েছেন তিনি।
স্টাবসের ক্যাচ নিতে পারেননি মাহমুদুল
মারক্রামকে আউটের পর দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু ষষ্ঠ ওভারে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে শর্ট লেগে ট্রিস্টান স্টাবসের ক্যাচ নিতে পারেননি মাহমুদুল। তখন ৮ রানে ব্যাট করছিলেন স্টাবস।
প্রথম ওভারেই হাসান মাহমুদের শিকার মারক্রাম
হাসান মাহমুদকে তৃতীয় বলেই চার মেরেছিলেন এইডেন মারক্রাম। কিন্তু শেষ বলে আর রক্ষা হয়নি। বাংলাদেশকে দ্রুত গুটিয়ে দিলেও জবাবে প্রথম ওভারে উইকেট হারিয়েছে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকা। ভেতরে ঢুকে পড়া ডেলিভারিতে এইডেন মারক্রামকে বোল্ড করেছেন হাসান মাহমুদ। প্রোটিয়াদের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক ৬ রান করেছেন।
১০৬ রানেই শেষ বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস
টস জিতে যে আশায় ব্যাটিং নেওয়া সেটা মোটেও পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিংয়ে ১০৬ রানে গুটিয়ে গেছে স্বাগতিকদের ইনিংস। প্রথম সেশনেই ৬ উইকেট হারানো বাংলাদেশ বাকি ৪ উইকেট হারায় দ্বিতীয় সেশনের ঘণ্টখানেকের মধ্যে। বিরতি থেকে ফিরে দ্রুত ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়, জাকের আলী। তার পর লেজের দিকে নবম উইকেটে সবচেয়ে বেশি ২৬ রান যোগ হয়েছে নাঈম ও তাইজুলের ব্যাটে। তাদের কারণেই স্কোর একশ পার হয়েছে। নাঈম আউট হতেই ভাঙে জুটি। তার পর তাইজুল (১৬) কেশভ মহারাজের বলে বোল্ড হলে ১০৬ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।
প্রথম ঘণ্টাতেই বাংলাদেশকে এলোমেলো করে ছাড়েন ভিয়ান মুল্ডার। তুলে নেন সাদমান, মুমিনুল ও শান্তর উইকেট। বাংলাদেশের ব্যাটিং অ্যাপ্রোচও ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। তার পর রাবাদা উইকেট উৎসবে যোগ দিলে মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসও ফিরেছেন। শেষ দিকে বামহাতি স্পিনার কেশভ মহারাজের ঘূর্ণিতে বাংলাদেশের প্রতিরোধ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। সর্বোচ্চ স্কোর বলতে ওপেনার জয়ের ৩০ রান। তাছাড়া তাইজুলের ব্যাট থেকে আসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬।
প্রোটিয়াদের হয়ে ২২ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন ভিয়ান মুল্ডার। ২৬ রানে তিনটি নেন কাগিসো রাবাদাও। ৩৪ রানে কেশভ মহারাজও সমসংখ্যক উইকেট নিয়েছেন। ১৯ রানে একটি শিকার করেছেন ডেন পিয়েট।
একশ পার হওয়ার পর আউট নাঈম
লাঞ্চ থেকে ফিরে দ্রুত দুই উইকেট হারানোর পর রান তোলার চেষ্টা করছিলেন নাঈম হাসান ও তাইজুল ইসলাম। তাদের ব্যাটেই স্কোর একশ ছাড়িয়েছে। নাঈমকে অবশ্য বেশিক্ষণ টিকতে দেননি রাবাদা। ৮ রানে তাকে তালুবন্দি করিয়েছেন। তাতে পড়ে বাংলাদেশের নবম উইকেট।
জয়ের পর দ্রুত ফিরলেন জাকের আলী
অভিষেক টেস্ট খেলতে নামলেও সেটাকে স্মরণীয় করতে পারেননি জাকের আলী। জয়ের আউট হওয়ার পরের ওভারেই স্টাম্পড হয়েছেন তিনি। কেশভ মহারাজের বলে এগিয়ে এসে শটস খেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বলের লাইন মিস করায় তাৎক্ষণিকভাবে উইকেটকিপার কাইল ভেরেইন উইকেট ভাঙতে দেরি করেননি। ফেরার আগে ২ রান করতে পেরেছেন জাকের।
বিরতি থেকে ফিরেই আউট জয়
প্রান্ত আগলে সামলেই খেলছিলেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। লাঞ্চ বিরতি থেকে ফিরেই শট খেলে আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু অফ স্পিনার ডেন পিয়েটের ঘূর্ণিতে পেরে উঠেননি। দলের ৭৬ রানে বোল্ড হয়ে ফিরেছেন ৩৩ রানে।
৬ উইকেট হারিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে বাংলাদেশ
সিরিজের প্রথম টেস্টে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও প্রথম ইনিংসেই বাজে ব্যাটিংয়ের নজির রেখেছে বাংলাদেশ। প্রথম সেশনে ৬০ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে গেছে তারা।
ড্রাই ও হালকা ঘাসের পিচে প্রোটিয়া পেসারদেরই আধিপত্য দেখা গেলো। ব্যাট করার জন্য পিচটা সহজ নয় যদিও। তার পরেও বাংলাদেশের ব্যাটিং অ্যাপ্রোচ ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। বেশ কিছু আউট ছিল আলগা শটে। প্রথম ঘণ্টাতেই তিন উইকেট তুলে নেন ভিয়ান মুল্ডার। তার পর জোড়া আঘাতে ৩০০ ও ৩০১ তম টেস্ট উইকেট তুলে নেন কাগিসো রাবাদা। লাঞ্চ বিরতির আগে শেষ বলটিতে কেশভ মহারাজের বলে বিদায় নেন মেহেদী হাসান মিরাজ (১৩)। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। ব্যতিক্রম ছিলেন শুধু ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। প্রান্ত আগলে ৮৬ বল খেলে ১৬ রানে অপরাজিত আছেন। কিন্তু তার যোগ্য সঙ্গী হতে পারেননি কেউ।
মুল্ডার ২২ রানে তিনটি উইকেট নিয়েছেন। ১৬ রানে দুটি নিয়েছেন কাগিসো রাবাদা। একটি শিকার কেশভ মহারাজের।
৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে বাংলাদেশ
৪০ রানে মুশফিকুর রহিমের বিদায়ের পর বিপদ থেকে দলকে উদ্ধার করতে পারেননি লিটন। বরং ১ রানে আউট হয়ে বিপদ আরও বাড়িয়ে দিয়ে গেছেন। কাগিসো রাবাদার দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হয়েছেন তিনি। লিটনকে দুর্দান্ত ক্যাচে তালুবন্দি করেছেন ট্রিস্টান স্টাবস।
মুশফিককে বোল্ড করে রাবাদার ‘৩০০’
ভিয়ান মুল্ডারের আঘাতে ২১ রানে তিন উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। তার পর প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টায় ছিলেন মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদুল হাসান জয়। ১৯ রান যোগ করেন তারা। ১৪তম ওভারে তাদের প্রতিরোধে আঘাত হানেন কাগিসো রাবাদা। মুশফিককে দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড করে চতুর্থ উইকেটের পতন ঘটিয়েছেন তিনি। এই উইকেট তুলে রাবাদা টেস্ট ক্যারিয়ারে তিনশ উইকেটের মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন। অভিজ্ঞ মুশফিক আউট হয়েছেন ১১ রানে।
এক মুল্ডারের আঘাতেই বিপদে বাংলাদেশ
এক মুল্ডারের আঘাতেই শুরুর দিকে বিপদে বাংলাদেশ। প্রোটিয়া পেসারের টানা তৃতীয় ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ প্রথম সকালেই চাপে পড়েছে। সাদমান, মুমিনুলকে ফেরানোর পর মুল্ডারের শিকারে পরিণত হন অধিনায়ক শান্ত। অফ স্টাম্প বরাবর ফুল ডেলিভারি করেছিলেন। শান্ত অনসাইডে ফ্লিক করতে গেলে এজ হয়ে বল চলে যায় শর্ট মিড অফে থাকা মহারাজের কাছে। তাতে ৭ রানে ফিরে যান বাংলাদেশ অধিনায়ক।
৪ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ
দ্বিতীয় ওভারে সাদমান ইসলামকে হারানো বাংলাদেশের দ্বিতীয় উইকেট হারাতেও সময় লাগেনি। চতুর্থ ওভারে বিদায় নিয়েছেন মুমিনুল হক। তাকে সুইং ডেলিভারিতে বিভ্রান্ত করেন ভিয়ান মুল্ডার। বল ব্যাটের কানায় লেগে জমা পড়ে কিপারের গ্লাভসে। তাতে মুল্ডারের আঘাতেই পড়েছে দুই উইকেট।
দ্বিতীয় ওভারেই ফিরলেন সাদমান
টস জিতে ব্যাট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরের পথ ধরেছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। ভিয়ান মুল্ডারের ফুলার লেংথের বাইরের বলটি অযথাই মেরে খেলার চেষ্টা করতে গিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে এইডেন মারক্রামকে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। সাদমান ফিরেছেন রানের খাতা না খুলে।
টস জিতেছে বাংলাদেশ, জাকের আলীর অভিষেক
সিরিজের প্রথম টেস্টে মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। এই টেস্ট দিয়ে অভিষেক হচ্ছে ব্যাটার জাকের আলীর।
টস জিতে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেছেন, চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করা কঠিন হবে। তাই সব ভেবে চিন্তেই ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। প্রোটিয়াদের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক এইডেন মারক্রামও বলেছেন, টস জিতলে তিনিও ব্যাটিং নিতেন।
সিরিজের আগে অবশ্য মাঠের বাইরে সাকিব আল হাসান ইস্যু নিয়ে উত্তাল ছিল মিরপুর স্টেডিয়ামের আশপাশ। গত কয়েকদিন ধরেই সাকিব ভক্ত এবং সাকিব বিরোধীরা পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ করেন। রবিবার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। নিরাপত্তাবাহিনী কোনোরকমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এমন জটিলতার মধ্যেই সোমবার সকাল দশটায় ম্যাচটি মাঠে গড়াচ্ছে। বলা যায়, মিরপুরে এই টেস্টে না থেকেও আছেন সাকিব।
একাদশে কারা
স্পিন বান্ধব উইকেট দেখে বাংলাদেশ এক পেসার ও তিন স্পিনার নিয়ে খেলতে নেমেছে। পেস আক্রমণে রয়েছেন শুধু হাসান মাহমুদ। স্পিন বিভাগে রয়েছেন তাইজুল, নাঈম ও মিরাজ। ফিরেছেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়।
বাংলাদেশের মতো প্রোটিয়া দলেও একজনের অভিষেক হচ্ছে। তিনি হলেন ব্রিটজকে। সফরকারীরা অবশ্য দুই পেসার কাগিসো রাবাদা ও ভিয়ান মুল্ডারকে নিয়ে খেলছে।
বাংলাদেশ একাদশ: সাদমান ইসলাম, মাহমুদুল হাসান জয়, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (অধিনায়ক), মেহেদী হাসান মিরাজ, জাকের আলী, নাঈম হাসান, তাইজুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ।
দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ: এইডেন মারক্রাম (অধিনায়ক), টনি ডি জর্জি, ট্রিস্টান স্টাবস, ডেভিড বেডিংহ্যাম, রায়ান রিকেলটন, ম্যাথু ব্রিটজকে, কাইল ভেরেইন (উইকেটরক্ষক), ভিয়ান মুল্ডার, কেশভ মহারাজ, কাগিসো রাবাদা ও ডেন পিয়েট।








