পাল্লেকেলেতে ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে শেরফানে রাদারফোর্ড ও গুডাকেশ মোটির রেকর্ড জুটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ মান বাঁচায়। বৃষ্টিতে ইনিংসের দৈর্ঘ্য কমে যাওয়া ৪৪ ওভারের ম্যাচে তারা ঘুরে দাঁড়ালেও ১৮৯ রানের পুঁজি যথেষ্ট ছিল না। শ্রীলঙ্কা ৩৪ বল হাতে থাকতে ৫ উইকেট হারিয়ে জিতে যায়। একটি ওয়ানডে বাকি থাকতে তিন ম্যাচের সিরিজও নিশ্চিত করলো স্বাগতিকরা।
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টসে হেরে বোলিং নিয়ে দারুণ শুরু করে শ্রীলঙ্কা। মাহিশ ঠিকশানা, আসিথা ফার্নান্ডো ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে ক্যারিবিয়ান ব্যাটিং লাইনআপ।
৫৮ রানে আট উইকেট হারায় সফরকারীরা। ব্র্যান্ডন কিং ও শাই হোপদের ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে শেরফানে রাদারফোর্ড দারুণ ষঙ্গ পান ৯ নম্বরের মোটির কাছ থেকে। নবম উইকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ১১৯ রানের রেকর্ড জুটি গড়েন দুজনে। ইয়ানিক ক্যারিয়াহ ও আলজারি জোসেফের ৮৫ রানের জুটি ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়েন তারা।
৫৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি করা রাদারফোর্ডকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন আসিথা। ৮২ বলে ৭ চার ও ৪ ছয়ে ৮০ রান করেন উইন্ডিজ ব্যাটার। ৬১ বলে ৫০ রান করে অপরাজিত ছিলেন মোটি। এই দুজন বাদে কেবল কিং (১৬) দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছান।
৩৬ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৮৯ রানে গুটিয়ে দিতে চার উইকেট নেন হাসারাঙ্গা। তিনটি করে উইকেট পান ঠিকশানা ও আসিথা।
লক্ষ্যে নেমে ৯ ওভারের পাওয়ার প্লেতে ২৫ রানে দুই উইকেট হারিয়ে বিপদের আভাস পেয়েছিল শ্রীলঙ্কা। সাদিরা সামারাবিক্রমা ও নিশান মাদুশকা এই ধাক্কা সামাল দেন ৬২ রানের জুটিতে। ৩৮ রানে থামেন মাদুশকা। তাকে অনুসরণ করে ফিরে যান সাদিরাও (৩৮)।
লক্ষ্যের বেশ কাছে গিয়ে জানিথ লিয়ানাগে (২৪) থেমে যান। তার সঙ্গে অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা ৫৫ রানের শক্ত জুটি গড়েছিলেন। আর কোনও উইকেট না হারিয়ে শ্রীলঙ্কা জিতে যায়।
আসালাঙ্কা ও কামিন্দু মেন্ডিস ২৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন। ৬১ বলে ৭ চার ও ১ ছয়ে ৬২ রানে অপরাজিত ছিলেন আসালাঙ্কা। ১১ রানে খেলছিলেন কামিন্দু। ৩৮.২ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯০ রান করে স্বাগতিকরা।









