তিনি কি যাবেন নাকি যাবেন না, এই প্রশ্নের উত্তর মিলেছে। বলা হচ্ছে রোহিত শর্মার কথা। ভারতের অধিনায়ক দুবাইতেই থাকবেন- তাকে পাকিস্তানে যেতে হচ্ছে না। কারণ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল তাদের পরিকল্পিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও ক্যাপ্টেন্স ফটো-আপ বাতিল করেছে।
একটি সূত্র মারফত এই অগ্রগতির কথা জানা গেছে, ‘আইসিসি কিংবা পিসিবি কখনও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেয়নি।’ পিসিবি অবশ্য এনিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেনি। তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বা ক্যাপ্টেন্স ফটোশুট না হওয়ার ব্যাপারও উড়িয়ে দেয়নি।
তাতে করে রোহিতের পাকিস্তানে যাওয়া না যাওয়ার ব্যাপারে প্রশ্ন উঠেছিল। ২০০৮ থেকে পাকিস্তানের মাটিতে কোনও ভারতীয় খেলোয়াড়ের পা পড়েনি। রাজনৈতিক বৈরিতার কারণে এবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও তাকে না পাঠানোর চিন্তা করছিল ভারত। তবে সেই সমস্যার সমাধান হয়ে গেলো এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে নাকচ হওয়ায়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের কোনও পরিকল্পনা ছিল না কর্তৃপক্ষের। সাম্প্রতিক সময়ের উদাহরণ টেনে ওই সূত্র বলেছেন, ‘শেষবার খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়েছিল ২০১১ সালে ঢাকায়। তারপর আর কখনও হয়নি।’
তবে গুঞ্জন উঠেছিল, করাচিতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে এবং প্রত্যেক দলের অধিনায়ক অংশ নেবেন ফটোশুটে।
আয়োজকরা জানিয়েছে, পাকিস্তানে বিভিন্ন দল ভিন্ন ভিন্ন সময়ে আসবে। এই কারণেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কিংবা আনুষ্ঠানিক পুনর্মিলনী সম্ভব নয়। বর্তমানে ভারতে সিরিজ খেলা ইংল্যান্ড দল ১৮ ফেব্রুয়ারি লাহোরে পৌঁছাবে। ১২ ফেব্রুয়ারি আহমেদাবাদে শেষ ওয়ানডে খেলার এক সপ্তাহ পর। সাদা বলের সিরিজের পর ইংল্যান্ড দল বিরতি নেবে বলে জানা গেছে।
টুর্নামেন্ট শুরুর দিন ১৯ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানে পৌঁছাবে অস্ট্রেলিয়া। ১৪ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কায় দুই টেস্টের সিরিজ শেষ হওয়ার পাঁচ দিন পর তারা খানিকটা বিশ্রাম নিবে। দুই দলের ম্যাচই ২২ ফেব্রুয়ারি। সূত্র জানিয়েছে, ‘দুই দলই লাহোরে আসার পথে বিরতি নেবে। দুই দল উদ্বোধনী ম্যাচের দিন ও আগের দিনে আসায় সব অধিনায়ককে একসঙ্গে পাওয়া যাবে না। এই কারণে অধিনায়কদের নিয়ে ফটোশুট হচ্ছে না কিংবা যৌথ সংবাদ সম্মেলনও হবে না।’
অবশ্য স্থানীয়ভাবে পিসিবি ১৬ ফেব্রুয়ারি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির উদ্বোধনী ঘোষণা করবে। লাহোর ফোর্টে শীর্ষস্থানীয় বোর্ড ও আইসিসি কর্মকর্তারা তাতে উপস্থিত থাকবেন।








