চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য প্রাথমিক স্কোয়াডে ছিলেন তারা। কিন্তু ইনজুরি আর ব্যক্তিগত কারণে ছিটকে যেতে হয়েছে কিংবা বর্তমানে যারা শঙ্কায়। এই তালিকা সপ্তাহখানেকের মধ্যে বেশ লম্বা হয়েছে। অপ্রত্যাশিতভাবে যারা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য টিকে থাকতে পারেননি-
আফগানিস্তান
এএম গজনফর ফ্র্যাকচার্ড ভারটেব্রের কারণে ছিটকে গেছেন। ডিসেম্বরে আফগানিস্তানের জিম্বাবুয়ে সফরে এই চোট পান তিনি।
অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণে একেবারে শূন্যতা তৈরি হয়েছে। প্রথম সারিতে থাকা প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজেলউড ইনজুরির সঙ্গে লড়ছেন। ব্যক্তিগত কারণে টুর্নামেন্ট থেকে নাম তুলে নিয়েছেন মিচেল স্টার্ক। অস্ট্রেলিয়ার প্রাথমিক দলে থাকার পরও গত ৬ ফেব্রুয়ারি ওয়ানডে থেকে অবসর নেন মার্কাস স্টয়নিস। পিঠের ইনজুরিতে ভুগছেন মিচেল মার্শ, এই মৌসুমেই হয়তো আর মাঠে নামা হবে না তার।
ইংল্যান্ড
ইংল্যান্ডের সাদা বলের চলতি ভারত সফরে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছেন জ্যাকব বেথেল। তিনি দলে থাকলেও ছিটকে যাওয়ার আশঙ্কায়।
ভারত
জানুয়ারিতে বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির শেষ টেস্টে পিঠের অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়েন জসপ্রীত বুমরা। তার ছিটকে যাওয়া ভারতের জন্য বড় ধাক্কা।
নিউজিল্যান্ড
ইনজুরির কারণে দুজনকে হারানোর আশঙ্কায় নিউজিল্যান্ড। আইএল টি-টোয়েন্টির প্রথম সপ্তাহে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান লকি ফার্গুসন। পাকিস্তানের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে কপালে আঘাত পান রাচিন রবীন্দ্র। নিউজিল্যান্ডের পরের ম্যাচে তিনি খেলেননি। শুক্রবার সিরিজের ফাইনালের আগে তার ফিটনেসের অবস্থা জানার অপেক্ষায়।
পাকিস্তান
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি শুরুর ১১ দিন আগে ত্রিদেশীয় সিরিজে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালে লো গ্রেড সাইড স্ট্রেইনে পড়েন হারিস রউফ। তার ফিটনেস নিয়ে ঘাম ছুটছে নির্বাচকদের।
দক্ষিণ আফ্রিকা
২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট না খেলা আনরিখ নর্কিয়ে পিঠের সমস্যায় চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে ছিটকে গেছেন। তার স্থলাভিষিক্ত হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলার অপেক্ষায় থাকা জেরাল্ড কোয়েটজিও কুচকির ইনজুরিতে ছিটকে গেছেন।








