চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি শুরু হতে আর পাঁচ দিন বাকি। করাচিতে উদ্বোধনী ম্যাচের ড্রেস রিহার্সেল হয়ে গেলো শুক্রবার। ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তান মুখোমুখি হয়েছিল। আট জাতির টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচের দুই প্রতিপক্ষের লড়াই হলো অনেকটাই একপেশে। যেখানে স্বাগতিকদের অস্বস্তিতে ফেলে জয়ের হাসি হাসলো ব্ল্যাক ক্যাপরা। ড্যারিল মিচেল ও টম ল্যাথামের হাফ সেঞ্চুরিতে ৫ উইকেটের সহজ জয়ে তিন জাতির সিরিজে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হলো নিউজিল্যান্ড।
করাচিতে মাত্র ১০টি রান করতেই মাইলফলক ছুঁলেন বাবর আজম। পাকিস্তানের ব্যাটার ১২৯তম ইনিংস খেলে দক্ষিণ আফ্রিকার হাশিম আমলার সঙ্গে যৌথভাবে দ্রুততম ৬ হাজার রানের ক্লাবে নাম লিখলেন। এই অর্জনের দিনে ইনিংসকে লম্বা করতে পারেননি বাবর। ৫৪ রানে নিউজিল্যান্ডের তৃতীয় শিকার তিনি মাত্র ২৯ রান করে।
দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের মতো আবারও দাঁড়িয়ে যান মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগা। চতুর্থ উইকেট জুটিতে আগের ম্যাচে রেকর্ড ২৬০ রান করা দুই ব্যাটার এবার তোলেন ৮৮ রান।
দুজনেই হাফ সেঞ্চুরি থেকে কিছুটা দূরে থাকতে সাজঘরে ফেরেন। ৪৬ রান করেন রিজওয়ান, সালমানের ব্যাটে ৪৫ রান।
এরপর উইলিয়াম ও’রোর্কে ও মিচেল স্যান্টনারের বোলিংয়ে আড়াইশ পার করতে পারেনি পাকিস্তান। ইনিংসের তিন বল বাকি থাকতে ২৪২ রানে অলআউট।
ও’রোর্কে সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন ৪৩ রান দিয়ে। দুটি করে পান মাইকেল ব্রেসওয়েল ও স্যান্টনার।
সহজ লক্ষ্যে নেমে দ্বিতীয় ওভারে উইল ইয়াং (৫) নাসিম শাহের শিকার। কেন উইলিয়ামসন ও ডেভন কনওয়ে ৭১ রানের জুটি গড়ে ওই ক্ষতি পুষিয়ে দেন।
উইলিয়ামসন ৩৪ ও কনওয়ে ৪৭ রানে বিদায় নিলেও রান রেট কিউইদের নাগালেই ছিল।
ড্যারিল মিচেল ও টম ল্যাথামের জুটিতে আর পা ফসকায়নি নিউজিল্যান্ড। সহজ জয়ের ভিত গড়ে দেন তারা ৮৭ রান তুলে। মিচেল ৫৭ রান করে থামেন। ল্যাথামও করেন হাফ সেঞ্চুরি। লক্ষ্য থেকে ১১ রান দূরে থাকতে তিনি আউট হন ৫৬ রান করে।
গ্লেন ফিলিপস ও ব্রেসওয়েলের জুটিতে ৪৬তম ওভারের দ্বিতীয় বলে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় নিউজিল্যান্ড। ২০ রানে ফিলিপস ও ২ রানে ব্রেসওয়েল অপরাজিত ছিলেন। ৫ উইকেটে তারা করে ২৪৩ রান।
এই সিরিজে প্রথম পর্বে পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারায় নিউজিল্যান্ড। দারুণ এই জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে আত্মবিশ্বাসের পারদ আরও উপরে উঠলো তাদের।









