দুবাইয়ের স্লো উইকেটে ২২৯ রান করতেই ভারত বেশ ভুগেছে। আরেকটু চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিতে পারলে ফল ভিন্ন হতে পারতো। তাছাড়া নাজমুল হোসেন শান্তর দুটি রান আউটের থ্রো লক্ষ্যভ্রষ্ট না হলে কিংবা জাকের আলী লোকেশ রাহুলের ক্যাচটা না ছাড়লেও ঘটনা অন্য রকম হতো। তাওহীদ হৃদয় জানালেন, ক্র্যাম্প না হলে আরও ২০-৩০ রান বেশি করতে পারতেন। তাহলে লক্ষ্যটা আরেকটু বড় হতো।
ম্যাচ শেষে হৃদয় গণমাধ্যমকে বললেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি ভালো আছি এখন। আমি মনে করছি, আমার ক্র্যাম্পিং ছিল বড় সমস্যা (জাকের আলীর আউটের চেয়ে)। যদি সুস্থ থাকতাম, আমার মনে হয় দলের জন্য আরও ২০-৩০ রান বেশি করতাম।’
নবম ওভারে ৩৫ রানে পাঁচ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। জাকের ও হৃদয় ষষ্ঠ উইকেটে ২০৬ বলে ১৫৪ রানের জুটি গড়েন।
এই জুটি ভাঙে জাকের ১১৪ বলে ৬৮ রান করে আউট হলে। শেষ দিকে হৃদয় ক্র্যাম্পে পড়ে ভুগতে থাকেন। ৮৬ রানে অপরাজিত থাকতে বাঁ পায়ের ব্যথায় অস্বস্তিতে পড়ে যান। শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরির দেখা পান তিনি।
হৃদয় বলেছেন, ‘জাকের ও আমি চেয়েছিলাম ভালো একটা জুটি গড়তে। আর কিছু নয়। আমাদের পরিষ্কার ধারণা ছিল টসে জিতলে আমরা কী করতে চাই। দলের পরিকল্পনা ছিল প্রথমে ব্যাট করবে। আমরা দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারাই। তারপরও যেভাবে আমি ও জাকের ব্যাট করেছিলাম, আমাদের একজন যদি আরও ভালো করতে পারতো, তাহলে হয়তো স্কোর ২৬০-২৭০ হতো।’
তাহলে বাংলাদেশ জিততেও পারতো, বিশ্বাস হৃদয়ের, ‘অবশ্যই, আমি মনে করি (আমরা জিততেও পারতাম)। এই স্কোর নিয়েই আমরা ভালো লড়াই করেছি। ভালো বল করেছি আমরা। শুরুতে কিছুটা বাউন্ডারি দিয়েছি। কিন্তু প্রথম দিকে কয়েকটি উইকেট নিতে পারলে দৃশ্যটা ভিন্ন রকম হতো।’









