জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ফারুক আহমেদের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করে বৃহস্পতিবার রাতে। এর ফলে বোর্ড সভাপতি হিসেবে পদটা শূন্য হয়ে পড়েছে। অপর দিকে, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আজ শুক্রবারই আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে বোর্ড পরিচালক মনোনীত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। শুক্রবার বিকাল বিসিবিতে বোর্ড সভা ডাকা হয়েছে। সেই সভাতে সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল বিসিবি পরিচালক হিসেবে প্রবেশ করেছেন। এই সভাতেই বুলবুলকে সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করা হতে পারে! বুলবুল মিরপুরে বিসিবি কার্যালয়ে আসেন বিকেল পাঁচটার সময়। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক মনোনীত হয়েছেন তিনি, পরিচালক হয়েই এসেছে বোর্ডে। এসেই সোজা চলে যান বোর্ড মিটিংয়ের রুমে।
বুলবুলের আগে মাহবুব আনাম, কাজী ইনাম আহমেদ, ফাহিম সিনহা, আকরাম খানসহ বিসিবির অন্য পরিচালকরা কার্যালয়ে আসেন। এ সময় বুলবুল আসার পর স্টেডিয়ামের সাসনে বেশ কিছু লোক স্লোগান দিতে থাকেন।
গতকাল বিসিবি সভাপতি হওয়া নিয়ে বুলবুল ক্রিকইনফোকে বলেছিলেন, ‘আমাকে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছিল, আমি তাতে রাজি হয়েছি। এখন কেবল প্রক্রিয়া অনুসরণ করার বিষয়। যেহেতু সুযোগ এসেছে, আমি কাজ করবো। আপাতত আমার মনোযোগ নির্বাচনের আগ পর্যন্ত দায়িত্ব পালনে। এরপর আমাকে কোনও কাজ দেওয়া হবে কি না, আমি আইসিসিতে ফিরে যাবো কি না, ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছু বলতে পারি না। তবে এখন পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনও পরিকল্পনা আমার নেই। দীর্ঘমেয়াদে এই ভূমিকায় থাকার ইচ্ছাও নেই।’
১৯৮৮ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ১৪ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। যার ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক ১৯৮৮ সালে। ৩৯টি ওয়ানডে খেলে তিন হাফ সেঞ্চুরিতে তার রান ৭৯৪। টেস্টও খেলেছেন ১৩টি।
ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান বুলবুল। ২০০২ সালে শেষ টেস্ট খেলার আগে ২৬ ইনিংসে করেছেন ৫৩০ রান। একটি সেঞ্চুরির পাশাপাশি আছে দুটি হাফ সেঞ্চুরিও। ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত তিনি ওয়ানডে দলকেও নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে ১৬ ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ জিতেছে দুটি ম্যাচ।









