সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ১৫১ ওভারে ৪৮৪/৯ (হাসান ০*, নাহিদ ০*, তাইজুল ৭, জাকের ৮, নাঈম ১০, লিটন ৯০, এনামুল ০, সাদমান ১৪, মুমিনুল ২৯, শান্ত ১৪৮, মুশফিক ১৬৩)
দ্বিতীয় দিনেও দাপট দেখায় বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ বিকাল রাঙিয়েছে শ্রীলঙ্কা। প্রায় দুই ঘণ্টা পর থামে বৃষ্টি। মাঠ শুকানোর পর শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ সময় বিকাল পৌনে ৫টায় শুরু হয় খেলা। তারপর এলোমেলো বাংলাদেশ। মুশফিক ও লিটনের শতাধিক রানের জুটি ভাঙতেই বিপদে পড়ে তারা।
দলের ৪৫৮ রানে ভাঙে এই জুটি। মুশফিক ফেরেন ১৬৩ রানে। তারপর লিটন ৯০ রানে আউট। মিলান রত্নায়েকে টানা তিন ওভারে তিন উইকেট তুলে নিয়ে শেষ সেশন শ্রীলঙ্কার করেছেন। দিন শেষে বাংলাদেশ ৯ উইকেটে ৪৮৪ রান করেছে।
মিলানের নতুন শিকার নাঈম
মিলান রত্নায়েকের টানা তিন ওভারে উইকেট হারালো বাংলাদেশ। নাঈম হাসানকে ফেরালেন তিনি দলীয় ৪৮৪ রানে।
জাকেরের পর মিলানের শিকার তাইজুল
দ্বিতীয় দিন শেষ বিকালে সপ্তম উইকেট হারালো বাংলাদেশ। মিলান রত্নায়েকের বলে ৮ রানে বোল্ড হন জাকের আলী। ৪৭৪ রানে ৭ উইকেট পড়লো বাংলাদেশের।
লঙ্কান পেসার তার পরের ওভারে তাইজুল ইসলামকে বোল্ড করেন। ৭ বলে ৬ রান করেন তিনি। ৪৮৩ রানে অষ্টম উইকেট হারালো সফরকারী দল।
১০ রানের জন্য সেঞ্চুরি হলো না লিটনের
৯ বলের মধ্যে দুই সেট ব্যাটারকে ফিরতে হলো। প্রথমে মুশফিকুর ১৬৩ রানে আউট হন। দলীয় স্কোরবোর্ডে আর কোনও রান যোগ না করে লিটন দাস আউট হন। রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে বল তার গ্লাভস ছুঁয়ে কুশল মেন্ডিসের গ্লাভসে জমা পড়ে।
১২৩ বলে ১১ চার এক ছয়ে ৯০ রানে থারিন্দু রত্নায়েকের শিকার হন লিটন।
১৬৩ রানে আউট মুশফিক
আসিথা ফার্নান্ডোর শিকার হলেন মুশফিকুর রহিম। ৩৫০ বলে ৯ চারে ১৬৩ রানে এলবিডব্লিউ হন তিনি। রিভিউ নিলেও আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত পাল্টায়নি। ৪৫৮ রানে ৫ উইকেট হারালো বাংলাদেশ। লিটন দাসের সঙ্গে ১৪৯ রানের জুটি ছিল তার।
বৃষ্টি বিরতির পর শুরু হয়েছে খেলা
প্রায় দুই ঘণ্টা পর থামে বৃষ্টি। মাঠ শুকানোর পর শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ সময় বিকাল পৌনে ৫টায় শুরু হয়েছে খেলা। বৃষ্টির কারণে ১৮ওভারের মতো হারিয়ে গেছে। আর বৃষ্টি না হলে বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৬টা পর্যন্ত খেলা চলবে।
মুশফিকের আম্পায়ার্স কলে বাঁচার পর নামলো বৃষ্টি
দৃঢ়তা দেখিয়ে খেলছেন মুশফিকুর রহিম। তাকে ফেরানোর কোনও সুযোগই তৈরি করতে পারছে লঙ্কান দল। ১৩০.২ ওভারে মিলান রত্নায়েকের বলে এলবিডাব্লিউ হয়েছিলেন তিনি। শ্রীলঙ্কা আবেদন করলেও আম্পায়ার সাড়া দেননি। পরে রিভিউ নিলে দেখা যায় মুশফিক আম্পায়ার্স কলে রক্ষা পেয়েছেন। তার পরেই নামে বৃষ্টি। আপাতত বন্ধ রয়েছে খেলা। বৃষ্টি বিরতির আগে মুশফিক-লিটনের পঞ্চম উইকেট জুটি দাঁড়িয়েছে ১১১ রানে। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৪২০ রান।
মুশফিকের ১৫০, লিটনের ৫০
লাঞ্চ বিরতি থেকে ফিরে দেড়শ রান পূরণ করেছেন মুশফিকুর রহিম। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের স্কোরও ছাড়িয়েছে ৪০০। লিটন দাস অপর প্রান্ত আগলে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের ১৮তম টেস্ট ফিফটি।
মুশফিক-লিটনের প্রতিরোধে লাঞ্চ বিরতিতে বাংলাদেশ
গল টেস্টে দ্বিতীয় দিনেও আধিপত্য চলছে বাংলাদেশের। প্রথম সেশনে পড়েছে মাত্র একটি উইকেট। গতকাল থেকে দারুণ খেলতে থাকা নাজমুল হোসেন শান্ত শুরুর দিকে ১৪৮ রানে কাটা পড়েছেন। মুশফিক প্রান্ত আগলে এগিয়ে নিচ্ছেন দলের ইনিংস। যোগ্য সঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন লিটন দাসকে। অবশ্য এই সময়ে দুটি ক্যাচ ও রানআউটের সুযোগ হাতছাড়া করেছে লঙ্কান দল। মুশফিক, লিটনের দু’জনেই ক্যাচ দিয়েছিলেন। তবে সব কিছু ছাপিয়ে তাদের প্রতিরোধে শেষ হয়েছে প্রথম সেশন। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেটে ৩৮৩ রান নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে গেছে। মুশফিক-লিটন ৭৪ রানে অবিচ্ছিন্ন আছেন। মুশফিক ব্যাট করছেন ১৪১ রানে, লিটন অপরাজিত ৪৩ রানে।
আধিপত্য ধরে রাখার দিনে মুশফিক আবার কীর্তিও গড়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কখনও বোলিং না করা ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ রানের মালিক মুশফিকুর রহিম। গল টেস্টে তিনি টপকেছেন অজি ব্যাটার অ্যাডাম গিলক্রিস্টকে। তিন সংস্করণ মিলিয়ে তার সংগ্রহ ৩৯৬ ম্যাচে ১৫ হাজার ৪৬১ রান। মুশফিকের সংগ্রহ ৪৭৩ ম্যাচে ১৫ হাজার ৪৭৬।
শান্তর বিদায়ে ভাঙলো ২৬৪ রানের জুটি
গতকাল থেকে লঙ্কানদের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকা নাজমুল হোসেন শান্ত অবশেষে থেমেছেন ১৪৮ রানে। আসিথা ফার্নান্দোর ফুলার লেংথের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের ক্যাচে পরিণত হন তিনি। তাতে ভেঙেছে ২৬৪ রানের জুটি। যা আবার লঙ্কানদের বিপক্ষে চতুর্থ উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ!
শান্তর ২৭৯ বলের ইনিংসে ছিল ১৫টি চার ও ১টি ছক্কা।
অবশ্য আগের ওভারে একই বোলারের বলে এলবিডাব্লিউতে আউট হয়েছিলেন শান্ত। রিভিউ নিয়ে বেঁচেছেন।
স্কোর তিনশ ছাড়ালো বাংলাদেশের
বড় সংগ্রহের লক্ষ্যে দিন শুরুর পর মুশফিকুর রহিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত জুটি আড়াইশ রান পার হতেও সময় লাগেনি। তার দলের স্কোরও তিনশ ছাড়িয়েছে।
বড় সংগ্রহের লক্ষ্যে দ্বিতীয় দিন শুরু বাংলাদেশের
গল টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টপ অর্ডার ব্যর্থ হলেও তার পর বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়ায় মুশফিকুর রহিম ও নাজমুল শান্তর দৃঢ়তায়। ৪৫ রানে তিন উইকেট হারানোর পর তাদের ব্যাটেই প্রথম দিনটি নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। পুরো দিন ছিল দু’জনের একচ্ছত্র আধিপত্য। সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন তারা। দু’জনের ৪৪৩ বলে ২৪৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে বাংলাদেশ ৩ উইকেটে ২৯২ রান নিয়ে প্রথম দিন শেষ করে। শান্ত ১৩৬ রানে এবং মুশফিক ১০৫ রানে অপরাজিত থেকে দ্বিতীয় দিন বড় সংগ্রহের লক্ষ্যে ব্যাট শুরু করেছেন।









