পায়ের পাতা ফেটে রক্তাক্ত হয়ে আগের দিন শেষ বিকালে গলফকার্টে চড়ে মাঠ ছেড়েছিলেন ঋষভ পান্ত। ওল্ড ট্রাফোর্ড টেস্ট তো বটেই, ইংল্যান্ড সিরিজ থেকেই তার ছিটকে যাওয়ার কথা। কিন্তু দলের বিপদে নামলেন তিনি। চোট নিয়েও করলেন হাফ সেঞ্চুরি। তাতে ভারত প্রথম ইনিংসে সাড়ে তিনশ রান পার করেছে। তবে তার এই সাহসিকতা চাপা পড়েছে বেন ডাকেট ও জ্যাক ক্রলির দৃঢ় ওপেনিং জুটিতে।
৪ উইকেটে ২৬৪ রানে দ্বিতীয় দিন খেলতে নেমেছিল ভারত। বেন স্টোকসের তোপে পড়ে লাঞ্চের আধঘণ্টা পার হতেই তারা অলআউট হয়। এদিন দুই উইকেট হারানোর পর ৩৭ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হওয়া পান্ত ক্রিজে নামেন। তার ৭৫ বলে ৫৪ রানের সৌজন্যে ভারত সাড়ে তিনশ পার করে।
সমান ১৯ রানে দিন শুরু করেন রবীন্দ্র জাদেজা ও শার্দুল ঠাকুর। জাদেজা (২০) আর একটি রান করে মাঠ ছাড়েন। তারপর শার্দুল ও ওয়াশিংটন সুন্দরের ৪৮ রানের জুটিতে তিনশ পার করে ভারত।
শার্দুলকে ৪১ রানে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন স্টোকস। তারপর পান্তের প্রতিরোধের মাঝে এক ওভারে ইংল্যান্ড অধিনায়ক জোড়া আঘাত করে পাঁচ উইকেট নেন। টানা দুই ওভারে পান্ত ও জসপ্রীত বুমরাকে ফিরিয়ে ভারতকে গুটিয়ে দেন জোফরা আর্চার। এই পেসার তিন উইকেট নিয়ে স্টোকসের পর সফল বোলার।
দেড় সেশনেরও বেশি সময় ব্যাটিংয়ের সুযোগ পায় ইংল্যান্ড। ক্রলি ও ডাকেট ওপেনিংয়ে ১৬৬ রানের জুটি গড়েন। জাদেজার বলে ক্রলিকে স্লিপে নিচু ক্যাচে ফেরান লোকেশ রাহুল। ১১৩ বলে ১৩ চার ও ১ ছয়ে ৮৪ রান করেন ইংলিশ ওপেনার। পান্তের পরিবর্তে ভারতের কিপিং করছেন ধ্রুব জুরেল।
ডাকেট ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরিবঞ্চিত হন। ১০০ বলে ১৩ চারে ৯৪ রান করে আংশুল কাম্বোজের শিকার হন তিনি। দিনের বাকিটা সময় পার করেছেন অলি পোপ ও জো রুট। তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে এসেছে ২৮ রান। ২০ রানে পোপ ও ১১ রানে রুট অপরাজিত আছেন। ২ উইকেটে ২২৫ রান ইংল্যান্ডের। প্রথম ইনিংসে লিড নিতে আরও ১৩৪ রান প্রয়োজন তাদের। আপাতদৃষ্টিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ইংল্যান্ডের হাতেই।








