পঞ্চম ও শেষ অ্যাশেজ টেস্টের শেষ দিনে কিছুটা চাপে পড়লেও শেষ পর্যন্ত নিরাপদেই জয়ের বন্দরে পৌঁছেছে অস্ট্রেলিয়া। চা-বিরতির আগেই ১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে পাঁচ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিক দল। এতে করে সিরিজ নিশ্চিত করেছে ৪-১ ব্যবধানে।
ইংল্যান্ডের হয়ে বল হাতে লড়াই করেছিলেন পেসার জশ টাং। ৪২ রানে তিন উইকেট নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন অ্যালেক্স ক্যারি (১৬) ও ক্যামেরন গ্রিন (২২)।
ম্যাচটা জমিয়ে তোলার কৃতিত্ব ইংল্যান্ড পেতেই পারে। সিডনিতে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিল। কিন্তু ইনজুরির কারণে অধিনায়ক বেন স্টোকসকে না পাওয়াটা ছিল ইংল্যান্ডের জন্য বড় ধাক্কার। এই উইকেটে ১৬০ রান রক্ষা করা যে কঠিন হবে, তা শুরু থেকেই স্পষ্ট ছিল।
স্লিপে দাঁড়িয়ে সতীর্থদের উজ্জীবিত করছিলেন স্টোকস, কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার ওপেনাররা দ্রুতই লক্ষ্য ১০০ রানের নিচে নামিয়ে আনেন। এরপর সিরিজে নিজের তৃতীয় সেঞ্চুরি করা ট্রাভিস হেড ২৯ রানে টাংয়ের বলে মিডউইকেটে ক্যাচ দেন।
এরপর জেক ওয়েদারাল্ড ৩৪ রানে আবারও টাংয়ের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। এতে মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়ার সময় অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য বাকি ছিল ৮৯ রান।
এ দিনটি ছিল ২০১০-১১ সিরিজে একই মাঠে ইংল্যান্ডের ইনিংস ও ৮৩ রানের জয়ের ১৫ বছর পূর্তির দিন। যেটি ছিল অস্ট্রেলিয়ায় ইংল্যান্ডের সর্বশেষ অ্যাশেজ জয়।
ওই ম্যাচেই টেস্ট অভিষেক হয়েছিল উসমান খাজার। অবসরের আগে শেষ ইনিংস খেলতে নেমে সাত বলে মাত্র ৬ রান করেছেন তিনি।
এছাড়া উল্লেখযোগ্য ইনিংস খেলেছেন মার্নাস লাবুশেন (৩৭)। তার রানআউটের সময় জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল আরও ৩৯ রান।
এর আগে ইংল্যান্ড ৩০২ রানে ৮ উইকেট নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে। কিন্তু মিচেল স্টার্ক বেথেলকে ১৫৪ রানে কিপারের গ্লাভসে ক্যাচ করিয়ে প্রতিরোধ ভেঙে দেন। বেথেলের দুর্দান্ত প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিই মূলত ইংল্যান্ডকে ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে সাহায্য করেছে।
শেষ পর্যন্ত টাংকে ৬ রানে আউট করে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস ৩৪২ রানে গুটিয়ে দিতে ভূমিকা রাখেন স্টার্ক। বাঁহাতি এই পেসার দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেট নিয়ে সিরিজ শেষ করেছেন মোট ৩১টি শিকারে।









