প্রথম টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের কাছে পাত্তা পায়নি অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় টি–টোয়েন্টিতে শক্তিশালী একাদশ নামালেও ভাগ্য বদল হয়নি। ৯০ রানের বড় ব্যবধানে জিতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ (২-০) নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান। ২০০৫ সালের পর টি–টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় পরাজয় এটি এবং সার্বিকভাবে দ্বিতীয়। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় টি–টোয়েন্টি জয় এটি। তাতে ২০১৮ সালের পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি–টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের স্বাদ পেয়েছে স্বাগতিকরা।
লাহোরে শনিবার ৪০ বলে ৮ চার ও ৪ ছক্কায় ৭৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন সালমান আগা। তাকে দারুণ সঙ্গ দেন উসমান খান। ৩৬ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। চতুর্থ উইকেটে সালমান আগার সঙ্গে ৪৯ রান যোগ করেন উসমান। তার পর উসমান–শাদাবের পঞ্চম উইকেট জুটিতেও আসে ৩৯ বলে ৬৩ রান। শাদাব শেষ পর্যন্ত ২০ বলে ২৮ রানে অপরাজিত থাকেন। তাতে ছিল ১টি চার ও ২টি ছয়। তাদের ব্যাটে ভর করে পাকিস্তান ৫ উইকেটে করে ১৯৮ রান।
এই রান ডিফেন্ড করতে গিয়ে পাকিস্তানের পাঁচ স্পিনার অস্ট্রেলিয়ার সবকটি উইকেট ভাগাভাগি করে নেন। আবরার আহমেদ ছিলেন সবচেয়ে সফল। মাত্র ১৪ রানে নেন ৩ উইকেট। শাদাব খানও ২৬ রানে নেন নেন ৩ উইকেট। উসমান তারিকও ১৬ রানে নেন ২টি। তাদের বোলিং নৈপুণ্যে অস্ট্রেলিয়া ১৫.৪ ওভারে গুটিয়ে যায় ১০৮ রানে। বিশ্রামের পর দলে ফেরা অধিনায়ক মিচেল মার্শও পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণের সামনে দাঁড়াতে পারেননি। আবরার মার্শকে ফিরিয়ে দেন ১৮ রানে। জশ ইংলিস ৫ ও ম্যাথিউ শর্টকেও ২৭ রানে তুলে নেন তিনি। ক্যামেরন গ্রিন ২০ বলে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন। তাকে ফিরিয়েছেন উসমান।









