গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) আগামী মৌসুমের আগে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স তাদের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়াকে ট্রেড করার কথা ভাবছে। এই অলরাউন্ডার, যিনি ২০১৫ সালে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে আইপিএল অভিষেক করেছিলেন, ২০২২ মৌসুমের আগে ফ্র্যাঞ্চাইজি ছেড়ে গুজরাট টাইটান্সে যোগ দেন।
গুজরাটকে তাদের প্রথম মৌসুমেই শিরোপা এনে দেওয়ার পাশাপাশি আরও এক বছর নেতৃত্ব দেন হার্দিক।
এরপর ট্রেডিং উইন্ডোর মাধ্যমে আবার তাকে দলে ফিরিয়ে আনে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবং তার হাতে নেতৃত্বের ব্যাজ তুলে দেওয়া হয়। তবে ফলাফল প্রত্যাশিত হয়নি; মুম্বাই ২০২৪ সালের আইপিএল পয়েন্ট তালিকার একেবারে তলানিতে থেকে অভিযান শেষ করে। এর পরের মৌসুমে তারা কোয়ালিফায়ার ২ পর্যন্ত পৌঁছালেও, ২০২৬ সালের আইপিএল শেষ করে ৯ নম্বর স্থানে থেকে।
খবর রটেছে যে, হার্দিককে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য কোনও চুক্তির বিষয়ে চেন্নাই সুপার কিংস এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে কথাবার্তা বলছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। এই গুঞ্জন প্রসঙ্গে ভারতের কিংবদন্তি স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন তার মতামত ব্যক্ত করে বলেছেন, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স যদি হার্দিককে ট্রেড করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে কেকেআরের কাছ থেকে হর্ষিত রানা এবং রিঙ্কু সিংকে নেওয়ার চেষ্টা করা উচিত।
নিজের তামিল ইউটিউব চ্যানেলে অশ্বিন বলেন, সিএসকে বা কেকেআর ছাড়া অন্য কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজিতে হার্দিকের যাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেবেন না। গুঞ্জন চলছে যে, সিএসকে দুবে এবং একজন পেসারকে দিতে পারে, আর কেকেআর ছেড়ে দিতে পারে ক্যামেরন গ্রিনকে। কিন্তু আগামী বছর গ্রিন যদি অ্যাশেজে মনোযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তখন কী হবে? আমি যদি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স হতাম, তবে কেকেআরের সঙ্গে চুক্তিতে রাজি হতাম কেবল একটি শর্তেই: বিনিময়ে হর্ষিত রানা এবং রিঙ্কু সিংকে পেতে হবে। একমাত্র এভাবেই মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স আরও শক্তিশালী দল হয়ে উঠতে পারে।
তিনি আরও যোগ করেন, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এটাও ভাববে যে, হার্দিককে ট্রেড করার পর সিএসকে ও কেকেআরের মধ্যে কে বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠছে। সিএসকে যদি দুবে এবং একজন ভারতীয় পেসারকে দিয়ে হার্দিককে নেয়, তবে তারা শক্তিশালী হবে ঠিকই, কিন্তু তাদের হারানো অসম্ভব হয়ে উঠবে না। কিন্তু কেকেআর যদি হার্দিককে পায়, তবে হঠাৎ করেই তাদের বেশ শক্তিশালী দেখাবে। হার্দিককে নিয়ে কেকেআরের ব্যাটিং লাইনআপ হয়ে উঠবে এক মারাত্মক ইউনিট। এগুলো এমন দল যাদের যথাক্রমে পাঁচটি, পাঁচটি এবং তিনটি করে আইপিএল খেতাব রয়েছে; তাই মুম্বাইকে ভাবতে হবে কীভাবে তারা নিশ্চিত করবে যে এই দলগুলোর মধ্যে কোনোটি যেন তাদের টপকে না যায়।









