টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে চার দিনে হারিয়ে ঐতিহাসিক এক জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এই সাফল্যের অন্যতম নায়ক হাসান মাহমুদ। মাত্র ৫৫ রানে তিনি ৬ উইকেট নিলে প্রথম ইনিংসে ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। পরে দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেওয়ার কাজটিও করেন তিনি। সব মিলিয়ে ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের অবিস্মরণীয় জয়ে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার জিতেছেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। ম্যাচসেরা হয়ে পরে বলেছেন, নিজেদের সেরাটা দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তাদের।
ডারউইনে ম্যাচ শেষে পুরস্কার গ্রহণ করে তিনি বলেছেন, ‘ম্যাচের আগে অনুশীলনে আমরা প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। মাথায় একটা বিষয়ই ছিল- যাই হোক না কেন, নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে হবে, প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। ফলাফল নিয়ে ভাবা যাবে না। পাঁচ দিন খেলতে হবে, তারপরই ফলাফল আসবে।’
পাঁচ দিন খেলতে হয়নি বাংলাদেশের। সাড়ে তিন দিন ও ১১ সেশনের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাঠে হারিয়ে দিয়েছে তারা। এর পেছনে টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে মিলে পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনার অবদানের কথা জানান হাসান, ‘দলের খেলোয়াড় ও কোচদের সঙ্গে বসে আমরা কিছু দলীয় পরিকল্পনা করেছি। ভিডিও দেখেছি, যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম, সেগুলো বিশ্লেষণ করে পরিকল্পনা করেছি। এরপর মাঠেও ঠিক সেভাবেই তা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করেছি।’
ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথম দিন উইকেট থেকে পেসাররা কিছু সুবিধা পেয়েছেন। যা কাজে লাগিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ১০ উইকেটের সবকটিই নেন হাসান মাহমুদ (৬), তাসকিন আহমেদ (২) ও এবাদত হোসেন (২)।
তবে উইকেটে সুবিধা থাকলেও, তা যথাযথ কাজে লাগানোয় বোলারদের প্রশংসাই করেছেন ২৬ বছর বয়সী পেসার, ‘প্রত্যেক বোলারই দারুণ ধৈর্য দেখিয়েছে। যে প্রক্রিয়াটা অনুসরণ করার কথা ছিল, সেটাই করেছে। শুধু সঠিক লাইন ও লেংথে বল করে যেতে হবে এবং একই জায়গায় আঘাত করে যেতে হবে- শেষ পর্যন্ত তার ফলাফল এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি।’








