বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নির্বাচনে সভাপতি পদে জয়ী হলে তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবলকে দৃঢ় ও আর্থিকভাবে স্বচ্ছল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাঁচাও ফুটবল পরিষদের সভাপতি পদপ্রার্থী কামরুল আশরাফ খান এমপি। আজ প্যানেলের মত বিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। বাঁচাও ফুটবল প্যানেলের নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ক মঞ্জুর কাদের বলেন, ‘আধার কাটিয়ে ফুটবলে আলো আনার জন্য আমাদের এই নির্বাচন। আমাদের একবার সুযোগ দেওয়ার জন্য বাফুফে ডেলিগেটসদের প্রতি অনুরোধ করছি।'
কামরুল আশরাফ খান তার বক্তব্যে বলেন,‘ নির্বাচিত হলে প্রথম পদক্ষেপ হবে আর্থিক দৈন্যতা দূর করবো। প্রতিটি ডিএফএ’র জন্য বড় অঙ্কের স্থায়ী আমানত, প্রতিটি ক্লাবের জন্য বাফুফের পক্ষ থেকে ভালো অঙ্কের অনুদান নিশ্চিত করা হবে। প্রতি বছর বাফুফের প্রতিটি ডেলিগেটসদের নিয়ে ফুটবলের উন্নয়নের জন্য যাবতীয় পদক্ষেপ, আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। আমি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক ধারায় পরিচালিত করতে চাই।'
মঞ্জুর কাদের বলেন, ‘আধার কাটিয়ে ফুটবলে আলো আনার জন্য আমাদের এই নির্বাচন। ফুটবল বাঁচাতে এই প্যানেল করেছি। ভোটার ও ডেলিগেটসদের অনুরোধ একবার সুযোগ দিয়ে দেখুন। যদি পরিবর্তন না করতে পারি তাহলে নিজেই ছেড়ে চলে যাব।'
কাজী সালাহউদ্দীনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'আগের বন্ধুর জন্য ভোট চেয়েছিলাম। আমার বন্ধুর নাম কাজী সালাহউদ্দিন। কিন্তু তার সঙ্গে কাজ করে মনে হয়েছে, তার কোনও লক্ষ্য নেই। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ফুটবলার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু তার অসহযোগিতার জন্য পারিনি। এবার কামরুল আশরাফ খানকে আমাদের প্যানেলের সভাপতি নির্বাচিত করেছি কারণ তিনি গ্রাম-গঞ্জের প্রতিনিধি। গ্রাম-গঞ্জে ফুটবল ছড়িয়ে দিতে তাকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাই।'
এ সময় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুল। তিনি বলেন, 'আমরা ফুটবলে পরিবর্তন চাই। গত আট বছরে ব্যর্থতা ছাড়া কিছুই দেখিনি। যারা আট বছরে কিছু দিতে পারেনি, তারা ভবিষ্যতে কী দেবে সেটা স্পষ্ট। এই আট বছরেই সাফের তিন আসরে গ্রুপ পর্যায় থেকে পার হতে পারেনি বাংলাদেশ। সর্বকালের সর্বনিম্ন ফিফা র্যাংকিংয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। তাই বাফুফেতে পরিবর্তন আবশ্যক। আমরা চাই স্বচ্ছ দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।'
বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকট আবু কাওছার মোল্লা বলেন, ‘ ক্রীড়াবান্ধব প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আমরা ফুটবলের জন্য যাবতীয় সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর জন্য আবেদন করব। এই প্যানেল নির্বাচিত হবে বলে আমরা আশাবাদী। ’
মত বিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন মোহামেডানের ডাইরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভূইয়া, জামালপুর ডিএফএ সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদোয়ান, জাতীয় দলের সাবেক কোচ মারুফুল হক, প্রবীণ ক্রীড়া সংগঠক মোজাফফর হোসেন পল্টু ও ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শেখ সোহেল।
/আরএম/এমআর/








