শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রকে ২-১ গোলে হারিয়ে ওযালটন ফেডারেশন কাপের ফাইনালে পৌঁছেছে আবাহনী। আজ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মূলত টিমওয়ার্ক ও নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড সানডে চিজোবার অসাধারণ নৈপুণ্যে ফাইনালে আরামবাগের প্রতিপক্ষ হয় আবাহনী।
গোড়ালিতে আঘাত পাওয়ার কারণে এ ম্যাচে খেলতে পারেননি ইংরেজ মিডফিল্ডার লি টাক। তার স্থানে খেলতে নামা কামারা সাররা এদিন গোল করে কোচের অাস্থার প্রতিদান দিয়েছেন।
কিক-অফ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বল নিয়ে একাই আবাহনী শিবিরে ঢুকে পড়েছিলেন রাসেলের ইথিওপিয়ান ফরোয়ার্ড ফিকরু টেফেরা। খুব কাছে থেকে তিনি বল মারেন বাইরের জালে। খেলার পাঁচ মিনিটে আবাহনী তাদের প্রথম আক্রমণ থেকেই পেয়ে যায় গোলের দেখা।
বাম প্রান্ত থেকে ওয়ালি ফয়সালের নেওয়া ফ্রি-কিক ভেসে আসে রাসেলের ডি-বক্সে। শেখ রাসেলের ডিফেন্ডাররা আবাহনী ফরোয়ার্ড সানডে চিজোবাকে মার্ক করতে পারেননি। বুকে বল নিয়ে গোলের উদ্দেশে ব্যাক-ভলি করেন সানডে। পেছনে বল পেয়ে যান সেনেগালিজ ফরোয়ার্ড কামারা সাররা, সাইড হেডে বল তিনি জড়িয়ে দেন জালে।
তিন মিনিট পর আবারও এগিয়ে যেতে পারতো আবাহনী। কামারা সাররার থ্রু পাসে পরাস্ত হয়েছিল রাসেল ডিফেন্ডাররা। সানডে কোনাকুনি প্লেসিং শটে করতে চেয়েছিলেন দ্বিতীয় গোল। কিন্তু বল সাইড পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। ৩৮ মিনিটে আবার সানডে-কামারা কম্বিনেশন। এবার সানডে ছোট বক্সের কোনা থেকে আড়াআড়ি পাস দিয়েছিলেন কামারাকে। রাসেল গোলরক্ষক রাসেল মাহমুদ লিটন পা দিয়ে বলের গতিপথ পরিবর্তন করে দেন।
শেখ রাসেল খেলায় ফিরে ৬৩ মিনিটে। ক্যামেরুনিয়ান ফরোয়ার্ড পল এমিল ও মিডফিল্ডার রোম্মান হোসেন ওয়ান-টু করে ভেদ করেন আবাহনী ডিফেন্স। রোম্মান ঠাণ্ডা মাথায় দূরের পোস্টে বল প্লেস করলে সেটি গোললাইন অতিক্রম করে।
কিন্তু বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি রাসেলের আনন্দ। পাঁচ মিনিট পরে (৬৮ মিনিটে) সানডে চিজোবা এক বাঁকানো ডান পায়ের শট নেন বক্সের বাম প্রান্ত থেকে। লিটন বলের লাইনে ছিলেন কিন্তু বাঁকের কারণে পরাস্ত হন, বল জড়িয়ে যায় জালে। ২-১ গোলের জয় নিয়ে ফাইনালে ওঠে আবাহনী।
/এমআর/








