গত বছরের নভেম্বরে প্যারিসে ভয়াবহ হামলা চালায় জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)। এরপর ফুটবলের জনপ্রিয় আসর ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা থাকলেও কোনও দুর্ঘটনা ছাড়াই সফলভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজন করে ফ্রান্স। আজ রাতে ফাইনালের মধ্য দিয়ে ইউরোর পর্দা নামতে যাচ্ছে। ফ্রান্স-পর্তুগাল শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ সামনে রেখে রাজধানী প্যারিসকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখা হয়েছে।
যেকোনও অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে ৬,৮০০ পুলিশ অফিসার নিয়োজিত থাকবেন। ম্যাচ চলাকালীন ও শেষে স্টেডিয়াম, দর্শক জোন এবং চ্যাম্পস ইলিসিস প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা সদস্যরা ছড়িয়ে থাকবেন। এর মধ্যে ফ্যান জোনে ১ হাজার ৯০০ এবং স্টেডিয়াম এলাকায় ৩ হাজার ৪০০ পুলিশ মোতায়েন থাকবে।
১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর ভিক্টরি প্যারেডে ১ মিলিয়ন ফুটবলপ্রেমী শিরোপা জয়ের উল্লাস করেছিল। ১৮ বছর পর একই সম্ভাবনার সামনে দাঁড়িয়ে ফ্রান্স। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে ভিক্টরি প্যারেড নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ।
সব মিলিয়ে ইউরো ফাইনাল ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাই থাকছে। ঘরের মাঠে ১৯৯৮ বিশ্বকাপের পর ফ্রেঞ্চরা আবারও শিরোপা উল্লাসে মাতবে নাকি প্রথমবারের মতো বড় কোনো ট্রফি জয়ের উচ্ছ্বাসে ভাসবে পর্তুগিজরা সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা!
/এমআর/








