ম্যাচের প্রথমার্ধের শুরুতেই যখন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ছিলেন, কে ভেবেছিল ম্যাচ শেষে পর্তুগাল ট্রফি জিতবে? তখন চোখের জলে মাঠ ছেড়েছিলেন রোনালদো। ম্যাচ শেষেও কাঁদলেন। আনন্দের কান্না। ততক্ষণে ফ্রান্সকে ১-০ গোলে হারিয়ে পর্তুগালই বসলো ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের আসনে।
সেই গোলটা যার কাছ থেকে এসেছে, ম্যাচের আগে তার কথা কেউ ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেনি। সোয়ানসি সিটির হয়ে প্রিমিয়ার লিগে ১৫টি ম্যাচ খেলে একটিতেও গোল করতে পারেননি এদের। ম্যাচের শেষ দিকে যখন পর্তুগাল কোচ রেনাতো সানচেজের জায়গায় তাকে নামালেন, অনেকেই হয়তো অবাক হয়েছিলেন। অথচ সেই এদেরই অতিরিক্ত সময়ে দূর থেকে বাঁ পায়ের মাটি কামড়ানো শটে গোল করে হতভম্ব করে দিলেন পুরো ফ্রান্সকে।
কী অদ্ভুত, রোনালদো হারিয়ে ফেলার পরেই যেন একটু গুছিয়ে খেলেছে পর্তুগাল। পেপে, ফন্টের রক্ষণ ছিল দুর্দান্ত, রুই প্যাট্রিসিও তো ম্যাচসেরার পুরস্কার দাবি করতে পারেন। পুরো ম্যাচে সাতটি সেভ করেছেন। কে জানত, পুটবল দেবতা তার চিত্রনাট্যে এদেরকেই নায়ক বানিয়ে রেখেছে। ১১০ মিনিটে ওই গোলের আগে হেড থেকে এগিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু সেটা কাজে লাগাতে পারেননি। পরে আর ভুল করলেন না, দেশকে এনে দিলেন দুর্দান্ত একটা জয়ের উপলক্ষ। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো পেলেন দেশের হয়ে বড় শিরোপা, নিজেকে অমরত্বের পথে কি আরেকটু ওপরে নিয়ে গেলেন?
/এমআর/








