আগামী ২৪শে জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলের ভেন্যু ৭টি থেকে কমিয়ে চারটিতে নামিয়ে এনেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। নবম জেবি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল অনুষ্ঠিত হবে; ঢাকা বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম, চট্টগ্রাম এমএ আজিজ স্টেডিয়াম, সিলেট জেলা স্টেডিয়াম ও রফিকউদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়াম-ময়মনসিংহে।
এর ফলে বাদ পড়লো গোপালগঞ্জ শেখ ফজলুল হক মনি স্টেডিয়াম, মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়াম-রাজশাহী ও আব্দুর রব সেরনিয়াবাত স্টেডিয়াম বরিশাল।
এদিকে এ সিদ্ধান্ত হতাশ করেছে বিপিএলের স্বত্ব কিনে নেওয়া সাইফ গ্লোবাল স্পোর্টসকে। এর স্বত্ত্বাধিকারী তরফদার মো: রুহুল আমিন বলেন, 'আমাদের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছিল তাতে ভেন্যু ছিল ছয়টি। এখন তা নেমে এসেছে চারটিতে। এটি অনেকটা চুক্তির লঙ্ঘন। আমরা বাফুফের সঙ্গে আলোচনা করবো। আনুপাতিক হারে চুক্তির টাকার অঙ্কও কমবে।'
রবিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ফুটবলের পেশাদার লিগ কমিটির বৈঠক শেষে ভেন্যু কমার বিষয়টি গণমাধ্যমকে বিষয়টি অবহিত করেন পেশাদার লিগ কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মুর্শেদী। তিনি বলেন, আমরা যে সাত ভেন্যু নির্ধারণ করেছিলাম এবং প্রিমিয়ার লিগের প্রাথমিক যে সূচি আমরা দাঁড় করিয়েছিলাম তাতে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত লিগ চলে যাবে। কেননা যে কোনও দলকে এক ভেন্যু থেকে আরেক ভেন্যুতে যেতে নুন্যতম তিন দিন সময় দিতে হবে। যা এই সাত স্টেডিয়ামে হলে সম্ভব নয়। তাছাড়া সব ভেন্যুতে ফ্লাড লাইটও নেই। আছে শুধু ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে। ফলে চাইলেও ওই ভেন্যুগুলোতে একটির বেশি ম্যাচ খেলা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে জাতীয় দল হোম ও অ্যাওয়ে খেলতে যাবে যেখানে কম করেও ১৫ দিন লেগে যাবে। এছাড়াও এএফসি কাপে শেখ রাসেল অংশ নিবে সেখানেও তাদের ৫ দিন সময় দিতে হবে। সেক্ষেত্রে দেখা যায় ৩৫ থেকে ৪০ দিন চলে যায়। যত দ্রুতই খেলি না কেন। ফলে আমরা যদি ফেব্রুয়ারিতে যাই তাহলে পারবর্তীতে ক্যালেন্ডার ঘোষণা করা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।
/আরএম/








