কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেন একসঙ্গে। একজনের গোলে অন্যজন মাতেন উৎসবে। নিজে গোল করার চেয়ে অন্যকে দিয়ে করিয়েই যেন তাদের বেশি আনন্দ। মেসি-নেইমারের এই সম্পর্কটা বার্সেলোনায় একসঙ্গে হওয়ার প্রথম দিন থেকে। দুজনের বন্ধুত্ব এটাই দৃঢ় যে খ্যাতি-শ্রেষ্ঠত্ব কোনও কিছুই দাঁড়াতে পারেনি বাধা হয়ে। সেই তারাই আগামীকাল (শুক্রবার) ভোরে একে অন্যের প্রতিদ্বন্দ্বী। ভোর ৫-৪৫ মিনিটে শুরু হওয়া আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের মহারণ দিয়ে প্রথমবার তারা মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন বিশ্বকাপ বাছাইয়ে।
এমন নয় যে মেসি-নেইমার কখনও প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে মাঠে নামনেনি। আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের লড়াইয়েও ‘শত্রু’ হয়ে দাঁড়িয়ে গেছেন একে অন্যের। ক্লাব ফুটবলেও হয়েছেন, তবে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে সামনাসামনি হননি কখনও। এই মুহূর্তটা এসেও গিয়েছিল গত বছরের নভেম্বরে, কিন্তু মেসির চোটে হয়নি তা। বুয়েনস এইরিসের ম্যাচে নেইমার খেললেও আর্জেন্টিনার স্কোয়াডে ছিলেন না তাদের অধিনয়াক। এবার ফিট আছেন মেসি, তাতে দুই বন্ধুর লড়াই উপভোগ করার সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্ব।
ব্রাজিল দলে নেইমারের অভিষেক ২০১০ সালে। এর পরও বিশ্বকাপ বাছাইয়ে তাদের দেখা না হওয়ার কারণ খুঁজছেন তো? কারণ নিশ্চয় আছে, ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়ার লড়াইয়ে যে নামতেই হয়নি তার দল ব্রাজিলকে। স্বাগতিক হওয়ায় এমনিতেই যোগ্যতা অর্জন করেছিল তারা ফুটবল মহাযজ্ঞের মূল পর্বে। এবারই তাই প্রথমার নেইমার খেলছেন বিশ্বকাপ বাছাইয়ে।
/কেআর/








