কোপার শতবার্ষিকীতে ছন্নছাড়া ব্রাজিলকে বড় ধাক্কা দিয়েছিল পেরু। গত জুনে ১-০ গোলে সেলেসাওদের হারিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় করেছিল তারা। এরপর নেইমারদের শুধুই সাফল্যগাঁথা। কার্লোস দুঙ্গার কাছ থেকে তিতে প্রধান কোচের দায়িত্ব নেওয়ার পর অসাধারণ ব্রাজিল। সান্তোসের সাবেক কোচ আসার পর বদলে গেছে তারা। টানা পাঁচ ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা পাওয়ার ভালো আভাস পাচ্ছে ব্রাজিল। এবার তিতের অধীনে জয়ের ধারাটা ছয়ে বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ, সামনে সেই পেরু। খেলোয়াড়দের মাথায় কি প্রতিশোধের চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে? কোপায় অপ্রত্যাশিতভাবে ছিটকে যাওয়ার হতাশা তো এরই মধ্যে ভুলে যাওয়ার কথা তাদের। গত ম্যাচগুলোতে দাপটে জয় সব হতাশাই দূর করেছে ব্রাজিলের।
এমনকি জার্মানির কাছে মিনেইরোতে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ৭-১ গোলে হারের শোকও সামলে উঠেছে নেইমার-আলভেজরা। এখন তাদের চোখ শুধুই বিশ্বকাপে, বর্তমান দলটি নিয়ে আরও বেশি গোছালো হয়ে ওঠার চিন্তা তিতের মনে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৩-০ গোলে জেতার পর কোচ বলেছিলেন, ‘আমাদের আরও উন্নতি করতে হবে।’ টানা পাঁচ ম্যাচ জেতার পর নিজের মনকেই বিশ্বাস করাতে পারছেন না তিতে। তবে এত সফলতায় কিছুটা ভয় কাজ করছে তার। কারণ একটু পা হড়কে গেলে আত্মবিশ্বাসে যেন ভাঙন না ধরে। তাই বাছাইপর্বের শীর্ষস্থান শক্ত করার মিশনে লিমায় পেরুকে হালকাভাবে নিচ্ছে না ব্রাজিল। কারণ প্রতিপক্ষ দলটির চোখে বিশ্বকাপ খেলার ক্ষীণ আশা জেগে উঠেছে।
বাছাইপর্বে গত তিন ম্যাচে দুইটি ম্যাচ জয়হীন থাকলেও প্যারাগুয়ের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও ৪-১ গোলের অসাধারণ জয় পেরুকে আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে। অবশ্য ১৯৮২ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা পেতে হলে বড় দলগুলোর বিপক্ষে জিততে হবে পেরুভিয়ানদের। কোচ রিকার্দো গারেসা আগেই জানিয়েছেন, প্যারাগুইয়ানদের বিপক্ষে জয়টাই ছিল বড়দের বিপক্ষে জয়ের সূচনা। তবে উড়তে থাকা ব্রাজিলকে নিয়ে আলাদা হিসাব নিকাশই করতে হবে তাদের।
বুধবার সকাল সোয়া ৮টায় সনি ইএসপিএনে সরাসরি দেখা যাবে পেরু-ব্রাজিলের ম্যাচটি।
/এফএইচএম/








