২০১৬ সালের পুরস্কারটি নিয়ে চতুর্থ ব্যালন ডি’অর জিতলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। অবশ্য সংখ্যাটা নাকি আরও বেশি হতো যদি মেসির সঙ্গে খেলতেন এক দলে!
মেসির সঙ্গে জুটি বেঁধে দলের জন্য লড়ছেন রোনালদো-দৃশ্যটা ভাবতে গেলেও খটকা লাগছে না? ফুটবল বিশ্বের জন্য এই দৃশ্যটা একরকম অসম্ভবই। যদিও এই অসম্ভবকে জয় করে যদি একসঙ্গে খেলতেন তারা, তাহলে সেটা ফুটবলের জন্য ভালো হতো বলেই মনে করছেন রোনালদো। ২০১৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ী চতুর্থবার পুরস্কারটি জিতে স্বভাবতই খুশি। অবশ্য সংখ্যাটা নাকি আরও বেশি হতো যদি মেসির সঙ্গে খেলতেন এক দলে। রোনালদো নিজেই এমনটা বলেছেন ‘ফ্রান্স ফুটবল’-এর দেওয়া পুরস্কারটি জেতার পর।
সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বেশিবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন মেসি। আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড পুরস্কারটি জিতেছেন পাঁচবার। বিপরীতে এবার দিয়ে রোনালদো জিতছেন চতুর্থবার। গত কয়েক বছরে লড়াইটা হচ্ছে তাদের মধ্যেই। মেসি না হলে রোনালদো, ব্যালন ডি’অরের সাম্রাজ্যটা তাদের দখলেই। সময়ের সেরা দুই ফুটবলার যদি একসঙ্গে খেলতে তাহলে কেমন হতো? জাপানে ক্লাব বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া পর্তুগিজ যুবরাজ উত্তরটা দিয়েছেন এভাবে, ‘আমরা একই দলে খেললে বিষয়টা অনেক মজার হতো। আমার মতে বিশ্বসেরা খেলোয়াড়দের একসঙ্গে খেলা উচিত।’ মেসির সঙ্গে খেললে লাভটা যে তারই বেশি হতো, সেটাও জানিয়ে রাখলেন কথার পরের অংশে, ‘যদি আমরা এক দলে খেলতাম, তাহলে আমার মনে হয় তার (মেসির) চেয়ে বেশি (ব্যালন ডি’অর) থাকতো আমার। এটাও ঠিক, ও আমার চেয়ে খুব বেশি পিছিয়ে থাকতো না।’
এবারের ব্যালন ডি’অরের ভোটে রোনালদোর ধারে কাছেও নেই মেসি। অনেক ব্যবধানে দ্বিতীয় স্থান পাওয়া আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডকে প্রশংসায় ভাসাতেও ভুল হলো না রোনালদোর, ‘সবাই জানি মেসি অসাধারণ খেলোয়াড়। ও পাঁচবার জিতেছে ব্যালন ডি’অর।’ সংখ্যার দিক থেকে তাই মেসি থেকে পিছিয়েই আছেন রোনালদো। তাই এখন তার মিশন মেসিকে ছোঁয়ার, ‘আমি চেষ্টা করব। সব সময়ের মতো সামনেও লড়াই করব।’ মার্কা
/কেআর/








