জে গ্রিন সাকাই ফুটবল ফেস্টিভালে খেলে প্রতিপক্ষ নিয়ে অজানা আশঙ্কার রাহুমুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। এটিই সফরের বড় অর্জন বলে মনে করছেন দলের কোচ গোলাম রাব্বানি ছোটন।
জাপানের ওসাকায় ফুটবল খেলে মঙ্গলবার রাতে দেশে ফেরে বাংলাদেশ অনূর্ধ-১৬ মেয়েদের দল। সফরে একটি প্রস্তুতি ম্যাচসহ মোট সাতটি ম্যাচের চারটিতে জয়ী হয় মেয়েরা, দুটিতে হারে ও একটিতে করে ড্র। আড়ষ্টতা কাটিয়ে উঠেছে মেয়েরা এমনটাই মনে করেছেন ছোটন।
দলটির কোচ বলেছেন, ‘প্রস্তুতি ম্যাচে সাকাই অ্যাকাডেমির অনূর্ধ্ব-১৫ দলের বিপক্ষে জয় দিয়ে শুরু করার পর মেয়েরা আর পেছনে ফিরে তাকায়নি। তারা দ্রুত কন্ডিশনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়, যেটা তাদের একটি বড় অভিজ্ঞতা। ঠান্ডার মাঝে দ্রুত গতির ফুটবল খেলতে চেষ্টা করেছে খেলোয়াড়রা। আর আমার যেটি ভালো লেগেছে সেটি হলো তারা মাঠে প্রতিপক্ষকে দেখে আড়ষ্ট হয়ে যায়নি।’
মেয়েদের স্বতঃস্ফূর্ত খেলা দেখে খুশি ছোটন, ‘ম্যাচে তারা ছিল সাবলীল। আমার ভালো লেগেছে যে তারা নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পেরেছে। দ্রুত পজিশন বদলেছে আর প্রতিপক্ষকে ভয় পায়নি। স্কিল লেভেলে কিছুটা পিছিয়ে আমরা, এটি অস্বাভাবিক নয়। তবে সামনের সময়টুকু আমরা আরও পরিশ্রম করব।’
খেলোয়াড়দের মাঝে সিরাত জাহান স্বপ্নার নৈপুণ্যে মোহিত কোচ ছোটন, ‘স্বপ্না এ সফরে মোট আটটি গোল করেছে। প্রতিটি ম্যাচে তার পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো। তার নৈপুণ্যে পুরো দলই উজ্জীবিত হয়ে উঠে।’
তবে ছোটনের মন পড়ে রয়েছে সাকাই অ্যকাডেমিতে। জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের ফুটবলের তফাত তুলে ধরে বক্তব্য শেষ করলেন তিনি, ‘ফুটবলের জন্য এতোকিছু আমরা ভাবতেও পারিনা। এটাতো জাপানের অসংখ্য অ্যাকাডেমির একটি। এখানে রয়েছে ১৬টি ফুটবল মাঠ। সকাল ছয়টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত ফুটবল অনুশীলন। পেশাদার দলও রয়েছে, রয়েছে স্কুলের বাচ্চারাও। পুরো পরিবেশটা ফুটবলময়। ওখানে থাকলে ফুটবল ছাড়া আর কিছু চিন্তা করার অবকাশ নেই।’
জাপান সফরের পর মেয়েদের ছুটি দিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আবার শুরু হবে সেপ্টেম্বরে থাইল্যান্ডে হতে যাওয়া এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ মেয়েদের চূড়ান্ত পর্বের প্রস্তুতি।
/আরএম/এফএইচএম/








