কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আর্সেনালের ঘর এমিরেটসে গিয়েছিলেন পেপ গার্দিওলা। লক্ষ্য ছিল গানারদের মাঠে অনেকদিন ধরে ‘অদেখা’ জয় পাওয়া। আক্রমণ পাল্টা আক্রমণের ম্যাচে তারা জয়ের সুবাস পেয়েছিল কিছুক্ষণের জন্য। কিন্তু ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া আর্সেনাল সেটা হতে দেয়নি। ২-২ গোলে সিটিজেনদের রুখে দিয়েছে আর্সেন ওয়েঙ্গারের শিষ্যরা।
৪ মিনিটে সুযোগ পেয়েছিল ম্যানসিটি। রহিম স্টারলিংয়ের কাছ থেকে বল পেয়েছিলেন ফার্নান্দিনহো। তাকে আসতে দেখে গোলপোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসে ওই প্রচেষ্টা রুখে দেন আর্সেনালের গোলরক্ষক ওসপিনা।
ওই আক্রমণের রেশ কাটতে না কাটতেই পরের মিনিটে গোলমুখ খোলে ম্যানসিটি। কেভিন ডি ব্রুইনের ভাসিয়ে দেওয়া বলটি পায়ে নিয়ে বেয়ারিনকে বোকা বানান লেরয় শেন, এর পর ওসপিনার বাধা টপকে ১-০ করেন জার্মান উইঙ্গার।
১০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারত সিটিজেনরা। ডেভিড সিলভার বাঁপায়ের স্ট্রাইক ওসপিনা দারুণভাবে রুখে দেন। বারবার হুমকির মুখে পড়া আর্সেনাল শেষ পর্যন্ত ২১ মিনিটে প্রথম সুযোগটি পায়। অ্যালেক্সিস সানচেজ বল বাড়িয়ে দেন ডিবক্সের দিকে ছুটতে থাকা মেসুত ওজিলকে, কিন্তু জার্মান তারকা পরাস্ত করতে পারেননি কাবায়েরোকে।
তবে বিরতিতে যাওয়ার আগে ঠিকই গোলের দেখা পায় আর্সেনাল। অবশ্য স্বাগতিকরা কয়েক মিনিট পর আবার পিছিয়ে পড়ে। ৪০ মিনিটে শাকদোরান মোস্তাফির কাছ থেকে বল পেয়ে কোনাকুনি শটে ১-১ করেন থিও ওয়ালকট। দুই মিনিট পর ডি ব্রুইনকে ট্যাকল করে থামান কোসসিয়েলনি, কিন্তু বল চলে যায় সিলভার কাছে। স্প্যানিশ বল পাঠান আগুয়েরোর কাছে, দলকে ২-১ এ এগিয়ে দিতে কোনও ভুল করেননি আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।
প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়লে বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ায় আর্সেনাল। দ্বিতীয়ার্ধের ৭ মিনিটে ফল পেয়ে যায় তারা হাতেনাতে। ওজিলের কর্নার থেকে ৫৩ মিনিটে দুর্দান্ত এক হেডে গোল করেন মোস্তাফি। কাবায়েরো হাত বাড়িয়েও বল সরিয়ে দিতে পারেননি।
৬৬ মিনিটে আগুয়েরো ও ৮০ মিনিটে ওজিল দুই দলকে গোল এনে দেওয়ার সুযোগ পান। কিন্তু ভাগ্য কারও পক্ষে যায়নি। যার কারণে জয় ধরা দেয়নি কোনও দলের হাতে।
এ ড্রয়ে ২৯ ম্যাচে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে চারেই থাকল ম্যানসিটি। আর এক ম্যাচ কম খেলা আর্সেনালের অর্জন ৫১ পয়েন্ট।
/এফএইচএম/








