চ্যাম্পিয়নস লিগে রেকর্ড ছয় ম্যাচ প্রতিপক্ষ একটি গোলও করতে পারেনি জুভেন্টাসের বিপক্ষে। এমন কীর্তির পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান অধিনায়ক জিয়ানলুইজি বুফনের। এবার তার আক্ষেপ ঘোচানোর মিশন।
মোনাকোর বিপক্ষে সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ২-০ গোলে জিতে ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফাইনাল থেকে এক ধাপ দূরে বুফন। ২০০৩ ও ২০১৫ সালের পর আরেকবার চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে তার দল জুভেন্টাস। আগের দুই ফাইনালে হারের যন্ত্রণা এবার কাটাতে দৃঢ়প্রত্যয়ী ৩৯ বছর বয়সী গোলরক্ষক। তার আগে আজ সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে মোনাকোর অঘটনের সম্ভাবনায় বাধা দিতে হবে তাকে। বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১টায় টেন ১ ও টেন ২ চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার হবে ম্যাচটি।
১৪ বছর আগের ফাইনালে এসি মিলানের বিপক্ষে টাইব্রেকারে হেরে যায় জুভেন্টাস। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় গোলশূন্য থাকার পর পেনাল্টিতে ২-৩ গোলে হেরে শিরোপাবঞ্চিত হয় তারা। ওই সময়ের ২৫ বছর বয়সী বুফন ততোটা হতাশ হননি। কারণ আশা হারাননি তিনি। কিন্তু পরের সুযোগেও ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বিশ্বজয়ী ইতালিয়ান গোলরক্ষককে। ২০১৫ সালের ফাইনালে বার্সেলোনার বিপক্ষে ৩-১ গোলে হেরে যায় জুভেন্টাস।
এবার ফাইনালে উঠলে ভুলগুলো শুধরে যেতে চান বুফন, ‘বার্লিন ফাইনালে (২০১৫) হারের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার আকাঙ্ক্ষা অবশ্যই আছে এবার। কিন্তু ২০০৩ সালে ম্যানচেস্টারের ভুলও শোধরাতে চাই। গত কয়েক বছরের এতোসব অভিজ্ঞতা আমাকে আরও অনেক উজ্জীবিত করেছে।’
বার্সেলোনার বিপক্ষে এবারের কোয়ার্টার ফাইনালে জেতার পর বাধভাঙা উদযাপন করেননি বুফন। কারণ শিরোপা হাতে না পাওয়া পর্যন্ত উদযাপন তার কাছে অর্থহীন। এ গোলরক্ষক বলেছেন, ‘ম্যাচটি জেতার পর আমি খুব বেশি উদযাপন করিনি, হ্যা খুশি হয়েছি। কারণ শিরোপা না জেতা পর্যন্ত উদযাপনের কোনও মানে নেই। সেটা হাতে না পেলে হতাশ হতে হবে।’
চ্যাম্পিয়নস লিগের গুরুত্বটা ভালো বোঝেন বুফন। সবসময় এটা জিততে চেয়েছেন ২০০৬ সালের বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক, ‘এটা আমার কাছে অনেক কিছু। আমি সবসময় এটা জিততে চেয়েছি। আমার দল, ভক্ত ও সতীর্থদের সঙ্গে এটা জেতার আশা সবসময় টিকিয়ে রেখেছি।’ সূত্র- মিরর, ডেইলি মেইল
/এফএইচএম/








