সুযোগ তৈরি করেছিল বেশি, কিন্তু জাল খুঁজে পায়নি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র। বরং তাদের এ হতাশাকে কাজে লাগিয়ে সফলতার মুখ দেখেছে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে রবিবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম ম্যাচে ৩-০ গোলে মুক্তিযোদ্ধাকে হারিয়েছে শেখ রাসেল। আরেক ম্যাচে চট্টগ্রাম আবাহনী ২-০ গোলে জিতেছে ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে।
প্রথম সুযোগ ধরা দিয়েছিল মুক্তিযোদ্ধাকে। ২৩ মিনিটে ডিফেন্ডার মনির আলম ডানপ্রান্তে ছুটে গিয়ে লক্ষ্যে শট নেন। কিন্তু কয়েক ইঞ্চির ব্যবধানে গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায় বল। অন্যদিকে ৩৪ মিনিটে পাওয়া প্রথম সুযোগে সফল হয় শেখ রাসেল। লেফট ব্যাক আতিকুর রহমান মিশুর বাঁকানো ক্রস থেকে লক্ষ্যভেদী হেড করেন মিডফিল্ডার খালেকুজ্জামান সবুজ। মুক্তিযোদ্ধা গোলরক্ষক উত্তম বড়ুঁয়া হাত বাড়িয়ে দিয়েও ঠেকাতে পারেননি বল। এক গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই আরেকবার গোল হজম করে মুক্তিযোদ্ধা। দুই মিনিট পর অধিনায়ক শাহেদুল আলম শাহেদের থ্রো থেকে গাম্বিয়ান ফরোয়ার্ড দাওদা সিসে ঠাণ্ডা মাথায় ২-০ করেন।
প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে দুইবার দুর্ভাগ্যের শিকার মুক্তিযোদ্ধা। ৪০ মিনিটে মতিউর রহমানকে নিখুঁতভাবে ঠেকিয়ে দেন শেখ রাসেলের গোলরক্ষক জিয়াউর রহমান। ৪৪ মিনিটে মিডফিল্ডার সৈকত মাহমুদ মুন্নার শট সাইডপোস্টে লেগে ফিরে যায়।
বিরতির পর অনেক চেষ্টা করেও গোল শোধ দিতে পারেনি মুক্তিযোদ্ধা। শেখ রাসেল তাদের রক্ষণে ভারসাম্য ধরে রেখে ৭৯ মিনিটে তৃতীয় গোল করে। সিসে করেন তার দ্বিতীয় গোল। শেষ মিনিটে গাম্বিয়ান এ ফরোয়ার্ড হ্যাটট্রিকের সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু তার বাঁ পায়ের শট পোস্টে লাগলে তৃতীয় গোলের দেখা পাননি সিসে।
সন্ধ্যায় দ্বিতীয় ম্যাচে কয়েকটি সুযোগ হারানোর পর গোলের দেখা পায় চট্টগ্রাম আবাহনী। ৪২ মিনিটে জাহিদ হোসেনের নিচু ক্রস বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল জড়ান ফরাশগঞ্জের ডিফেন্ডার মালিক মেন্দি। প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে জাহিদের বাঁকানো ফ্রিকিক থেকে হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফরোয়ার্ড তৌহিদুল আলম সবুজ।
শেষ ৪৫ মিনিট রক্ষণে গুরুত্ব দেয় বন্দরনগরীর দল। তারপরও তারা ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু বাধা দেন ফরাশগঞ্জ গোলরক্ষক অসীম দাস।
/এফএইচএম/








