বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ ম্যাচ খেলতে ইকুয়েডরের মাঠ কিটোতে নামবে আর্জেন্টিনা। বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার লড়াইয়ে আলবিসেলেস্তেদের মেলাতে হবে কঠিন সমীকরণ। বাঁচা-মরার এই লড়াই জিতে বিশ্বকাপে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন কোচ হোর্হে সাম্পাওলি। তার মতে, দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা রাশিয়ার ফুটবল মহাযজ্ঞে খেলার দাবিদার।
পেরুর বিপক্ষে সবশেষ ম্যাচে আর্জেন্টিনা রক্ষণের ঝড় তুললেও গোলের দেখা পায়নি। ভেনিজুয়েলার বিপক্ষে আগের ম্যাচে সুযোগ তৈরি করেছিল আরও বেশি। ১-১ গোলে ড্র হওয়া সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনা গোলটি পেয়েছিল ‘আত্মঘাতী’তে। ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচে ওরকম সুযোগ তৈরি না করেও যদি জয় পায় দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা, তাতেও খুশি সাম্পাওলি। কারণ তার কাছে বিশ্বকাপে যাওয়ার দাবিদার আর্জেন্টিনা, ‘এবার (ইকুয়েডরের বিপক্ষে) যদি আমরা না জেতার মতো খেলেও জয় পাই, তাতেও আমি ভীষণ খুশি হবো। আশা করছি আমরা বিশ্বকাপে যাব, কারণ অতীতের হিসাবে আর্জেন্টিনা এটার দাবিদার।’
এ জন্য অবশ্য জিততেই হবে আলবিসেলেস্তেদের। সাম্পাওলি স্বভাবতই তাকিয়ে থাকবেন তার দলের সেরা অস্ত্র লিওনেল মেসির দিকে। যদিও ফর্মে থাকা বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডকে নিয়ে তিনি একেবারে নির্ভার। দুশ্চিন্তাটা তার দলের বাকি খেলোয়াড়দের নিয়ে। যাদেরকে মেসির খেলার সঙ্গে নিজেদের পারফরম্যান্স মেলানোর আহ্বান সাবেক সেভিয়া কোচের, ‘গত তিন ম্যাচে আমি অসাধারণ এক মেসিকে পেয়েছি। যদি আমরা মেসির লেভেলে পারফরম করতে পারি, তাহলে ভালো একটা ম্যাচ হবে।’
খেলোয়াড়দের উদ্দেশে সাম্পাওলি বলেছেন, ‘দলের খেলোয়াড়দের একটা বার্তা দিয়েছি যে তাদের এক হাতে (কিটোর) উচ্চতা , ইকুয়েডর, চ্যালেঞ্জ ও গোল মিস করার হতাশা। আর অন্য হাতে আছে আমাদের বিশ্বাস, আমাদের খেলোয়াড় ও বিশ্বকাপ থেকে ৯০ মিনিট দূরত্বে থাকা সুযোগ।’
সেই সুযোগটা আর্জেন্টিনা মুঠোবন্দী করতে পারে কিনা, বুধবার সকালেই যাবে জানা। ইএসপিএনএফসি








