লন্ডনের প্যালাডিয়ামে ফিফার ‘দ্য বেস্ট’ পুরস্কার অনুষ্ঠানে রিয়াল মাদ্রিদের জয়জয়কার। জিনেদিন জিদান আর ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর সাফল্যে রঙিন ইউরোপের সফলতম ফুটবল ক্লাব। এ বছরের সেরা কোচ হয়েছেন ফরাসী কিংবদন্তি জিদান। আর লিওনেল মেসিকে আবারও হারিয়ে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার উঠেছে রোনালদোর হাতে।
দেড় শ’র কিছু বেশি দেশের কোচ ও অধিনায়কের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন ফিফা বর্ষসেরা কোচ ও খেলোয়াড়। বাংলাদেশের অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম ভোট দিয়েছেন জিদান আর রোনালদোকে। তবে জাতীয় দলের অস্ট্রেলিয়ান কোচ অ্যান্ড্রু ওর্ডের পছন্দের তালিকা বেশ বিস্ময়রকর।
মামুনুলের চোখে ২০১৭ সালের সেরা কোচ জিদান। কোচের তালিকায় জিদানের পর তিনি রেখেছেন জার্মানির ইওয়াখিম ল্যোভ এবং চেলসির আন্তনিও কন্তেকে। বাংলাদেশ অধিনায়কের সেরা খেলোয়াড়ের তালিকায় রোনালদোর পর আছেন লিওনেল মেসি ও জিয়ানলুইজি বুফন। নিজের ভোটের পক্ষে মামুনুলের ব্যাখ্যা, ‘দলীয় আর ব্যক্তিগত দুটো পারফরম্যান্স দেখেই জিদান ও রোনালদোকে ভোট দিয়েছি। কোচ হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও লা লিগা জিতিয়েছেন জিদান। তাই পুরস্কারটা তারই প্রাপ্য। রোনালদো রিয়াল ছাড়াও পর্তুগালের হয়ে দুর্দান্ত খেলেছেন। মেসির ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ভাল হলেও তার দল সাফল্য পায়নি।’
তবে ফিফার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওর্ডের তালিকায় রোনালদো-জিদান কেউ নেই! তিনি সেরা কোচ হিসেবে বেছে নিয়েছেন চেলসির কন্তেকে। এরপরেই আছেন অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের ডিয়েগো সিমিওনে ও টটেনহ্যামের মরিসিও পচেত্তিনো। সেরা খেলোয়াড়ের তালিকায় ওর্ডে রেখেছেন লুই সুয়ারেস, আন্তোয়ান গ্রিয়েজমান ও জিয়ানলুইজি বুফনকে।
বাংলাদেশের কোচ অবশ্য নিজের ভোট নিয়ে সরাসরি কিছু বলতে চাননি। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেছেন, ‘রিয়াল মাদ্রিদ চ্যাম্পিয়নস লিগ ও লা লিগা দুটোই জিতেছে। তাই তাদের কোচ-খেলোয়াড়ের সাফল্য নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করার সুযোগ নেই। জিদান-রোনালদো যোগ্য হিসেবে পুরস্কারটা পেয়েছেন। তবে আমি কাকে ভোট দিয়েছি, তা বলতে চাই না। এটা আমার নিজস্ব মতামত, আর তা গোপনই রাখতে চাই। যারা পুরস্কার পেয়েছেন তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি।’
বাংলাদেশ মহিলা দলের কোচ ও অধিনায়ক হিসেবে ভোট দিয়েছেন গোলাম রব্বানী ছোটন এবং সাবিনা খাতুনও। দুজনের চোখেই সেরা খেলোয়াড় নেদারল্যান্ডসের লিকে মার্টিনস।








