যতটা সহজ প্রতিপক্ষ ভাবা হচ্ছিল, আদতে ততটা সহজ ছিল না ভুটান। এএফসি আঞ্চলিক পর্বে যে দলকে দুই বছর আগেও ১৬ গোল দিয়েছিল বাংলাদেশ, তাদের বিপক্ষে স্বাগতিকরা জিতেছে ৩-০ গোলে। মেয়েদের সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবলে টানা দ্বিতীয় জয়ে ফাইনালও নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের। এই জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান জোড়া গোল করা আঁখির।
মঙ্গলবারের পরের ম্যাচে নেপালকে ১০-০ গোলে বিধ্বস্ত করে ফাইনালে উঠেছে ভারত। দুটি করে ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ-ভারত দুই দলেরই সংগ্রহ ৬ পয়েন্ট। আগামী ২৪ ডিসেম্বর হবে ফাইনাল, তার আগে বৃহস্পতিবার ফাইনালের ‘ড্রেস রিহার্সালে’ মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও ভারত।
কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ছেড়ে কথা বলেনি। আগ্রাসী ফুটবল খেলেছে শুরু থেকেই। কিন্তু ভুটান নিজেদের রক্ষণ এমনভাবে জমাট করে রেখেছিল যে গোলমুখ উন্মুক্ত করাই কঠিন হয়ে পড়ে। তহুরা-মার্জিয়া-মনিকারা পুরো ম্যাচে প্রতিপক্ষের সীমানায় বল নিয়ে কারিকুরি করলেও নেপাল ম্যাচের মতো বড় ব্যবধানে জিততে পারেনি।
১১ মিনিটে প্রথম সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ভুটান গোলরক্ষক কর্মা যুদেনের হাত ফসকে যাওয়া বলে শট নিতে পারেনি মনিকা। তবে পরের মিনিটে ঠিকই জালে বল জড়াতে সক্ষম হয়। দ্বিতীয় কর্নার পেয়েছিল বাংলাদেশ। মার্জিয়ার কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে মাথা ছুঁইয়ে গোল করে ডিফেন্ডার আঁখি। প্রথমার্ধে ১১ টি কর্নার পেয়েও বাংলাদেশ গোল করতে পারে মাত্র একটি!
২৭ মিনিটে মনিকা চাকমার জোরালো শট বারের ওপর দিয়ে যায়। ৩৭ মিনিটে আনুচিং মগিনির শট সাইড বারে লেগে ফিরে আসে, মার্জিয়ার ফিরতি শট কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করে গোলরক্ষক কর্মা যুদেন।
বিরতির পর দুটি গোল হয়েছে। ৫৬ মিনিটে মার্জিয়ার বাম প্রান্তের কর্নারে আঁখি খাতুনের বুদ্ধিদীপ্ত ফ্লিকে স্কোর হয় ২-০।
৬১ মিনিটে গোল করার সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু বক্সের বাইরে থেকে মারিয়া মান্ডার বাঁ পায়ের জোরালো শট সাইড বারে লেগে ফিরে আসে।
তহুরার বদলি হিসেবে নেমে ৭৯ মিনিটে স্কোর ৩-০ করে সাজেদা খাতুন। বক্সে ঢুকে গড়ানো শটে গোলরক্ষকের বাঁ দিক দিয়ে গোলটি করে সে।








