টানা পঞ্চম কোপা দেল রে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এগিয়ে থাকলো বার্সেলোনা। লুই সুয়ারেসের গোলে ন্যু ক্যাম্পে তারা ১-০ গোলে হারালো ভ্যালেন্সিয়াকে।
বৃহস্পতিবার সেমিফাইনালের প্রথম লেগে বার্সেলোনার জয় নিশ্চিত হয় সুয়ারেসের ৬৭ মিনিটের গোলে।
দুই বছর আগে কোপার সেমিফাইনালে ভ্যালেন্সিয়া ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল ন্যু ক্যাম্পে। কিন্তু এবার উজ্জীবিত পারফরম্যান্স করে ফাইনাল খেলার আশা ধরাছোঁয়ার মধ্যে রাখলো তারা।
লা লিগায় এখন তিন নম্বরে থাকা ভ্যালেন্সিয়া শুরু থেকে ব্যাকফুটে ছিল। মাত্র তিন মিনিটে তাদের রক্ষণভাগ কাঁপিয়ে দেন লিওনেল মেসি। কয়েকজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে লক্ষ্যে শট নেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। গোলপোস্টের পাশ দিয়ে বল চলে যাওয়ায় স্কোরশিট পাল্টায়নি।
অ্যালেক্স ভিদাল ও সুয়ারেস গোলের সুযোগ পেলেও সফল হননি। প্রথমার্ধে ১০ জনের দল হয়ে যেতে পারতো বার্সেলোনা। ভাগ্য ভালো যে, সের্জি রবার্তো কেবল হলুদ কার্ড দেখেছেন। ৩৫ মিনিটে আন্দ্রেস পেরেইরাকে কঠিন ট্যাকল করেন তিনি।
প্রথমার্ধে ভ্যালেন্সিয়ার রক্ষণ তটস্থ করে রেখেছিলেন সুয়ারেস। প্রায় গোলমুখ খুলেই ফেলেছিলেন উরুগুয়ান স্ট্রাইকার। কিন্তু আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার বানিয়ে দেওয়া বলে অল্পের জন্য পা ঠেকাতে পারেননি।
লড়তে থাকা ভ্যালেন্সিয়া প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে সুযোগ পেয়েছিল। মার্টিন মন্তোয়ার হাফ-ভলি গোলপোস্টের পাশ দিয়ে চলে যায়।
মার্সেলিনোর দল বিরতির পর সংগঠিত হতে থাকে। শুরুতেই ড্যানিয়েল পাজেরো পরীক্ষা নেয় বার্সার। সোজা ছুটে আসা বলকে থামিয়ে স্বাগতিকদের ম্যাচে রাখেন গোলরক্ষক জ্যাসপার সিলেসেন।
কিছুক্ষণ পর বার্সা পায় তাদের আকাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা। মেসির ক্রসে ব্যাকপোস্ট থেকে হেড করে লক্ষ্যভেদ করেন সুয়ারেস। আর্সেনালের সাবেক মিডফিল্ডার ফ্রাঙ্কিস কোকুয়েলিন গোলমুখের কাছ থেকে শট নিয়েও সমতা ফেরাতে ব্যর্থ হন।
বার্সায় রেকর্ড চুক্তিতে আসা ফিলিপ কৌতিনিয়ো ৫৮ মিনিটে বদলি নেমে দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু তার বাঁকানো শট সহজে রুখে দেন ভ্যালেন্সিয়া গোলরক্ষক জাউমে ডমেনেখ। আরেক বদলি পাকো আলকাসের লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি জাউমের বাধায়। মেসির পরীক্ষায় আরেকবার সফল হন ভ্যালেন্সিয়া গোলরক্ষক।
নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার মুহূর্তে অতিথিরা সমতা ফেরানোর খুব কাছে ছিল। বদলি নামা সান্তি মিনার হেড গোলবারের ওপর দিয়ে গেলে বার্সা জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। ইএসপিএনএফসি, গোল ডটকম








