স্বাধীনতা কাপ ফুটবলের শিরোপা ধরে রাখতে চট্টগ্রাম আবাহনী শনিবার ফাইনালে মাঠে নামছে আরামবাগের বিপক্ষে, যারা প্রথমবারের মতো নামছে এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে। শিরোপা ধরে রাখতে নিজেদের সর্বোচ্চটা দিতে চায় চট্টগ্রাম আবাহনী, আর ইতিহাস লেখার মিশন আরামবাগের। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বিকেল ৪টায় ম্যাচ শুরুর আগেই পাওয়া যাচ্ছে উত্তেজনার ঝাঁঝ।
স্বাধীনতা কাপের ফাইনাল দিয়ে ঘরোয়া মৌসুম শেষ হচ্ছে। ফেডারেশন কাপ ও প্রিমিয়ার লিগে ট্রফির দেখা পায়নি চট্টগ্রাম আবাহনী কিংবা আরামবাগ। দুদলের কাছেই তাই শেষ আসরের ট্রফি জেতাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। দুদলই আত্মবিশ্বাসী।
আরামবাগের কোচ উয়েফা ‘এ’ লাইসেন্স প্রাপ্ত মারুফুল হক তো বেশ উজ্জীবিত। ঢাকা আবাহনী ও শেখ জামালকে হারিয়ে ফাইনাল খেলছে তার দল। তাই আত্মবিশ্বাসের পারদও ছুঁয়েছে আকাশ। ম্যাচের আগে বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত আমার দল ভাল খেলে আসছে। ক্রমেই অনভিজ্ঞ দলটি সাফল্য পাচ্ছে। যেভাবে দলকে অনুশীলন করাচ্ছি, তা খেলোয়াড়রা মাঠে করে দেখাতে পারছে। আমার বিশ্বাস ফাইনাল জিততে পারব।’
ফেডারেশন কাপে তিনবার ফাইনালে ওঠে ট্রফি জিততে পারেনি আরামবাগ। স্বাধীনতা কাপের ফাইনাল দিয়ে শিরোপা খরা কাটাতে চায় তারা। ৮ থেকে ১০ হাজার সমর্থক ফাইনালে আসার কথা। নিজেদের দর্শকদের সামনে ভলো খেলার প্রত্যয় দলটির অধিনায়ক আবু সুফিয়ান সুফিলের কণ্ঠে, ‘সমর্থক থাকলে তা চাপ হয়ে উঠবে না। আমরা তাদের সামনে ভালো খেলব। আর ফাইনালে ওঠে আসাটা চমক ছিল না। পরিশ্রম আর মাঠের পারফরম্যান্স আমাদের এই পর্যন্ত নিয়ে এসেছে।’
চট্টগ্রাম আবাহনীতে জাতীয় দলের এক ঝাঁক খেলোয়াড়। অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ও কম নয়। এই দলটি নিয়ে আশাবাদী কোচ জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু, ‘টানা খেলার মধ্যে থেকে খেলোয়াড়রা ক্লান্ত। ভয় ছিল, ফাইনালে উঠতে পারবে কিনা। তবে সব সংশয় দূর করে ফাইনালে খেলব আমরা। আর ট্রফি জেতার জন্যই দল মাঠে নামবে। যদি ট্যাকটিকস অনুযায়ী খেলতে পারে, তাহলে শিরোপা আসবেই।’
কোচের মতোই অধিনায়ক আশরাফুল ইসলাম রানাও আশাবাদী, ‘আমাদের দল সিনিয়র ও জুনিয়র খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে গড়া। সবাই শিরোপা জয়ের জন্য মুখিয়ে আছে। দুদলের সামনে সুযোগ আসবে। যারা সুযোগ কাজে লাগাতে পারবে, তারাই ট্রফি ক্লাবে নিয়ে যেতে পারবে।’
গ্রুপ পর্বে দুদলের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র ছিল। ফাইনালে সেটা হওয়ার সুযোগ নেই, জয় দিয়ে শিরোপা উৎসব করবে যেকোনও এক দল। চট্টগ্রাম আবাহনী নাকি আরামবাগ?








