মাত্র চার দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার ৩-০ গোলে আর্সেনালকে উড়িয়ে দিয়ে আর্সেন ওয়েঙ্গারের ব্যথাটা আরও বাড়িয়ে দিলো ম্যানচেস্টার সিটি।
রবিবার ইংলিশ লিগ কাপ ফাইনালে হারের পর প্রতিশোধ নিতে পারলো না গানাররা। বরং পেপ গার্দিওলাকে তার শততম ম্যাচে আরও একটি দুর্দান্ত জয় উপহার দিলো ম্যানসিটি।
বৃহস্পতিবার প্রথমার্ধে বার্নার্ডো সিলভা, ডেভিড সিলভা ও লেরয় শেনের চমৎকার গোলে জিতেছে ম্যানসিটি। আর ৫টি জয় তাদের হাতে এনে দেবে প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা।
ওয়েম্বলিতে আগের দেখায় অসহায় আত্মসমর্পণ করেছিল আর্সেনাল। কিন্তু এমিরেটস স্টেডিয়ামে ভালো পারফরম্যান্স করেছে এদিন তারা। তবে তাদের চেয়েও এগিয়ে ছিল সিটিজেনরা।
তীব্র শীত ও তুষারপাতে নাকাল হয়েছে এদিন শহরবাসী। আর সিটিজেনদের ঝড়ে উড়ে গেলো আর্সেনালের খেলোয়াড়রা।
অবশ্য ম্যাচে শুরু থেকে আর্সেনাল সুযোগ পায় বেশ কয়েকটি। ভাগ্য তাদের সহায় হয়নি। অ্যারন রামসির নিচু ক্রস ম্যানসিটি অধিনায়ক ভিনসেন্ত কোম্পানির পায়ে লেগে ধরা দেয় গোলরক্ষক এডারসনের হাতে। এরপর হেনরিখ মিখিতালিয়ানের বাঁ পায়ের ড্রাইভ সোজা চলে ম্যানসিটি গোলরক্ষকের কাছে।
দুটি সুযোগ নষ্ট করা আর্সেনাল পিছিয়ে পড়ে ১৫ মিনিটে। শেনের পাস থেকে বার্নার্ডো সিলভার চমৎকার স্ট্রাইকে সিটিজেনরা ১-০ গোলে এগিয়ে যায়। গ্রানিত ঝাকার নিখুঁত ফ্রি কিক আরেকবার পরীক্ষা নিয়েছে এডারসনের। কিন্তু দারুণ সমন্বয়ে ২৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ম্যানসিটি। শেনের নিখুঁত পাস বক্সের মধ্যে পান আগুয়েরো। আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড বল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর ডেভিড সিলভাকে দিয়ে গোল করান। ৫ মিনিট পর কাইল ওয়াকারের ক্রস থেকে ৩-০ করেন শেন।
আর্সেনাল ম্যাচে ফেরার সবচেয়ে সহজ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। নিকোলাস ওতামেন্দিকে মিখিতারিয়ান ফাউল করলে পেনাল্টি পায় গানাররা। অবেমেয়াংয়ের স্পট কিক দুর্দান্ত ডাইভে রুখে দেন এডারসন। গ্যাবনের এ স্ট্রাইকার কিছুক্ষণ পরে একাই গোল করতে পারতেন। কিন্তু বল গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।
অল্পের জন্য ম্যানসিটির জার্সিতে ২০০তম গোল পাননি আগুয়েরো। তার নিচু শট ডানদিক দিয়ে রুখে দেন আর্সেনাল গোলরক্ষক পিটার চেক।
এই সুযোগ নষ্ট হলেও আরেকটি বড় জয় পেতে কোনও বাধার মুখোমুখি হয়নি ম্যানসিটি।
২৮ ম্যাচে ৭৫ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে সিটিজেনরা। ১৬ পয়েন্ট পেছনে থেকে দুই নম্বরে ম্যানইউ (৫৯)। ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে ছয় নম্বরে আর্সেনাল। এই হারে শীর্ষ চারে থাকার সম্ভাবনা অনেকটা ক্ষীণ হয়ে এলো তাদের। চার নম্বর স্থানে থাকা টটেনহ্যামের (৫৫) সঙ্গে গানারদের ব্যবধান ১০ পয়েন্টের! ইএসপিএনএফসি








