মাস খানেক আগে যে খবর ছেপেছিল স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘এল মুন্দো’, সেটাই সত্যি হলো। কর ফাঁকির মামলায় দোষী প্রমাণিত হয়েছেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। শাস্তি হিসেবে দুই বছরের জেলের সঙ্গে প্রায় ১৯ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা গুনতে হচ্ছে পর্তুগিজ উইঙ্গারকে।
দিনকয়েক আগেই রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে জুভেন্টাসে যোগ দিয়েছেন রোনালদো। স্পেন ছেড়ে গেলেও কর ফাঁকি অভিযোগ থেকে মুক্তি মিললো না তার। রিয়াল মাদ্রিদ তারকার বিরুদ্ধে গত বছর ওঠে কর ফাঁকির অভিযোগ। যাতে তাকে দুই বছরের জেলের শাস্তির সঙ্গে ১৮.৮ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা করা হয়েছে। গত মাসে এক প্রতিবেদনে ‘এল মুন্দো’ ছেপেছিল, রোনালদো নাকি এই শাস্তি মেনে নিয়ে জরিমানার অর্থ দেওয়ার বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে স্প্যানিশ কর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে।
বৃহস্পতিবার যার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলো স্প্যানিশ কর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে। চারটি কর ফাঁকির মামলায় দোষী প্রমাণিত হয়েছেন রোনালদো। পর্তুগিজ অধিনায়ক ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তার ইমেজ স্বত্ব থেকে আয় করা অর্থ গোপন করেছেন। এজন্য তার বিরুদ্ধে ওঠে ১৪.৮ মিলিয়ন ইউরো কর ফাঁকির অভিযোগ। সুদসহ অঙ্কটা ১৮.৮ মিলিয়ন ইউরো। ‘এল মুন্দো’র খবর ছিল, রোনালদো ২০১৭ সালের জুনে ১৪ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে দফারফা করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু স্প্যানিশ সরকার তা মানতে রাজি হয়নি।
এখন ১৮.৮ মিলিয়ন ইউরোর পুরো জরিমানা দিলেই মুক্তি রোনালদোর। দুই বছরের জেলের শাস্তি উঠে যাবে এমনিতেই। কারণ স্পেনের আইন অনুযায়ী, যদিও কোনও ব্যক্তি ফৌজদারি অপরাধ না করে এবং দুই বছর বা তার নিচে সময়কালের জেলের শাস্তি পায়, তাহলে প্রথম অপরাধের কারণে জেল খাটতে হয় না। রোনালদো যেহেতু প্রথমবার শাস্তি পেয়েছেন, তাই জেলে যেতে হচ্ছে না তাকে। মার্কা








