এশিয়ান গেমস ফুটবলে ভালোই পারফরম্যান্স বাংলাদেশের। প্রথম ম্যাচে উজবেকিস্তানের কাছে হেরে গেলেও থাইল্যান্ডের সঙ্গে ড্র আর শক্তিশালী কাতারকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছিল লাল-সবুজ দল। প্রথমবার নকআউটে খেলার অভিজ্ঞতা অবশ্য মধুর হয়নি, হার মেনেছে উত্তর কোরিয়ার কাছে। তবে ইন্দোনেশিয়া থেকে আত্মবিশ্বাস নিয়েই ফিরছেন জামাল-তপু-সুফিলরা।
এশিয়াড শেষে এবার ঘরের মাঠে সাফ ফুটবলের চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের সামনে। আগামী ৪ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠেয় এই প্রতিযোগিতায় স্বাগতিকদের গ্রুপ প্রতিপক্ষ নেপাল, পাকিস্তান ও ভুটান। এশিয়াডের পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারলে নিজেদের আঙিনায় ভালো ফল করার উজ্জ্বল সম্ভাবনা। কোচ জেমি ডে দল নিয়ে আশাবাদী। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেছেন, ‘আগের চেয়ে দলের অবস্থা ভিন্ন। খেলোয়াড়রা আগের চেয়ে অনেক বেশি ফিট আর সংগঠিত। আশা করি, সাফ ফুটবলে তাদের ফিটনেস দলের কাজে আসবে।’
এশিয়াডে অনূর্ধ্ব-২৩ দল (অবশ্য তিন জন ২৩ ঊর্ধ খেলোয়াড় রাখা যায়) খেললেও সাফ ফুটবলে অংশ নেবে জাতীয় দল। বাংলাদেশের জন্য এটা অন্য ধরনের চ্যালেঞ্জ। জাতীয় দলের ইংলিশ কোচ জানালেন, এই চ্যালেঞ্জ নিতে তিনি প্রস্তুত, ‘এশিয়াডের পারফরম্যান্স আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে আমাদের। সাফে আমরা অভিজ্ঞ দলগুলোর বিপক্ষে খেলতে যাচ্ছি। লড়াইটা তাই আরও কঠিন হবে। এশিয়াডে চার ম্যাচেই আমরা ভালো খেলেছি। সাফ ফুটবল আলাদা টুর্নামেন্ট হলেও এখানে ভালো খেলতে আমরা আত্মবিশ্বাসী।’
পাকিস্তান দলের উদাহরণ দিয়ে জেমি ডে আরও বললেন, ‘পাকিস্তান দলের পাঁচ জন খেলোয়াড়ের ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। সাফ ফুটবল তাই চ্যালেঞ্জিং হতে যাচ্ছে আমাদের জন্য।’








