উয়েফার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন লুকা মদরিচ। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে হারিয়ে প্রথমবার জেতা পুরস্কারটির যেমন প্রশংসায় ভেসেছেন তিনি, বিপরীতে সমালোচনাও হয়েছে অনেক। অবশ্য ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ রোনালদোর কাছ থেকে অভিনন্দনের বার্তাই পেয়েছেন ক্রোয়েট মিডফিল্ডার।
রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে গত মৌসুমে জিতেছেন চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো গোলের পর গোল করে গেলেও মদরিচের অবদানও ছিল অনেক। ক্লাব ফুটবলে টানা তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার পর বিশ্বকাপে নেমে পেয়েছেন ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জন। রাশিয়া বিশ্বকাপে আন্ডারডগ হয়ে নামা ক্রোয়েশিয়া তার নেতৃত্বে খেলেছে ফাইনাল। মস্কোর ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে হারলেও মদরিচ ও ক্রোয়েশিয়া জয় করে নেয় গোটা ফুটবল বিশ্বের হৃদয়।
ক্লাব ও জাতীয় দলের জার্সিতে দুর্দান্ত একটি বছর কাটানোর পুরস্কার হিসেবে জিতেছেন তিনি উয়েফার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের খ্যাতি। যদিও অনেকেই মদরিচের হাতে পুরস্কারটি মেনে নিতে পারেননি। রোনালদোর এজেন্ট হোর্হে মেন্দেস তো স্পষ্টই বলে দিয়েছে, ‘এটা হাস্যকর।’ রিয়াল ছেড়ে জুভেন্টাসে নাম লেখানো রোনালদো নিজেও নাকি খেপেছেন পুরস্কারটি জিততে না পেরে!
যদিও মদরিচ শোনালেন অন্য কথা। পর্তুগিজ যুবরাজ তাকে অভিনন্দনের বার্তাই পাঠিয়েছেন ইউরোপসেরা হওয়ার পুরস্কারে। চমৎকার বিশ্বকাপ কাটানোর পর ক্রোয়েশিয়া প্রথমবার মাঠে নেমেছিল পর্তুগালের বিপক্ষে। ম্যাচটিতে রোনালদো না খেললেও অভিনন্দন জানানোর কথা ভাগাভাগি করেছেন মদরিচ।
রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার বলেছেন, ‘ওর সঙ্গে আমার সম্পর্কটা দারুণ। এটা (উয়েফা বর্ষসেরা) জেতার পর ও আমাকে অভিনন্দনের বার্তা পাঠিয়েছে। আর বলেছে শিগগিরই দেখা হবে আমাদের।’ পর্তুগিজ উইঙ্গার ইতালিতে চলে গেলেও সম্পর্কটা আগের মতোই থাকবে তার সঙ্গে, ‘ক্রিস্তিয়ানোর সঙ্গে আমার সম্পর্কটা ভালো, আর এটা থাকবেও আমাদের মধ্যে, কোনও কিছুই বদলে যাবে না। ব্যক্তিগত পুরস্কার অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে দলগত বিষয়টাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
ফিফার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের চূড়ান্ত তিনেও আছেন মদরিচ। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার দেওয়া এই পুরস্কার নিয়ে তার বক্তব্য, ‘আমি খুশি (ফিফা বেস্টের তালিকায় থাকতে পেরে)। এটা নির্বাচন করবেন খেলোয়াড় ও কোচেরা, দেখা যাক কী হয়।’ মার্কা








