বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে চারটি শিরোপা এখনো জ্বলজ্বলে। ১৯৯৫ সালে মিয়ানমারে চার জাতি প্রতিযোগিতা, ১৯৯৯ সালে সাফ গেমস (বর্তমানে এসএ গেমস), ২০০৩ সালে সাফ ফুটবল ও ২০১০-এর এসএ গেমসের শিরোপা। চারটি ট্রফি জয়ের পেছনে ছিলেন বিদেশি কোচরা। সফলতার মুখ দেখেছিলেন জার্মানির অটো ফিস্টার, ইরাকের সামির শাকির, অস্ট্রিয়ান জর্জ কোটান ও সার্বিয়ান জোরান দর্দেভিচ। এবার বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে ইংলিশ কোচ জেমি ডের সামনে নতুন ইতিহাস গড়ার হাতছানি। যদিও ইংলিশ এই কোচ মনে করেন ট্রফি জয়ের পথটা বেশ দুর্গম।
অল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা পেয়েছেন জেমি ডে। সাফে দুর্দান্ত শুরু করেও গোল গড়ে সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি তার শিষ্যরা। সেই দুঃখ ঘোচাতে এবার বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপই বড় সুযোগ। স্বাগতিকদের গ্রুপে আছে লাওস ও ফিলিপাইনের মতো দল। আর অন্য গ্রুপে তাজিকিস্তান ছাড়াও আছে ফিলিস্তিন ও নেপাল।
এই টুর্নামেন্টে আগত প্রতিযোগীরা সবাই ফিফা র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে। একমাত্র স্বাগতিকরা র্যাংকিংয়ের নিচে থেকে খেলতে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় শিরোপায় চোখ রাখা কঠিন বলেই মত ইংলিশ কোচ জেমি ডের, ‘আমার কাছে মনে হয় এটি বেশ কঠিন একটি আসর। সাফের চেয়ে এক অর্থে কঠিন। এখানে ভালো দলগুলো লড়বে। আমরা র্যাংকিংয়ের নিচে থেকে শুরু করতে যাচ্ছি। কিন্তু আমরা সামনের দিকে এগুতে চাই। আশা করছি একটি দল হিসেবে ভালো খেলে উন্নতি করতে পারবো।’
১৯৯৬ সালে প্রথম বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ শুরু হয়েছিল। প্রথম আসরে মালয়েশিয়া অনূর্ধ্ব-২৩ দল, ১৯৯৯ সালে জাপানের লিগ একাদশ, ২০১৫ সালে মালয়েশিয়ার অনূর্ধ্ব-২২ ও ২০১৬ সালে নেপাল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এরমধ্যে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ ফাইনালে খেলেছে।
এবারের আসরে স্বাগতিক বাংলাদেশ কী করবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে জেমি ডে বলেছেন, ‘চ্যাম্পিয়ন হতে চাওয়াটা বড় প্রাপ্তির বিষয়। আমি সেই লক্ষ্যে আছি। তবে ধাপে ধাপে আমাদের এগুতে হবে। কিন্তু আমাদের একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, আমরা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে ফিফা র্যাংকিংয়ে নিচের দিকে আছি।’








